২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে বাংলায় ধরাশায়ী হয়েছে তৃণমূল। এরপর নতুন বিজেপি সরকার আসার মাস ঘুরতে না ঘুরতেই তৃণমূলে তুমুল ভাঙন দেখা যায়। একদিকে কালীঘাট তৃণমূল হিসাবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন ঘাসফুল শিবির, অন্যদিকে, ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের তৃণমূল শিবির ঘিরে রাজনৈতিক মহলে তোলপাড়! এরই মধ্যে আসন্ন ২১ জুলাইয়ে তৃণমূলের শহিদ দিবস পালনের অনুষ্ঠান। এই ২১ জুলাইয়ের শহিদ দিবসে প্রতিবার ধর্মতলায় ভিক্টোরিয়া হাউসের সামনে তৃণমূলের মঞ্চ দেখা যায়। এবার কলকাতা পুলিশ সদ্য দুই শিবিরের তৃণমূলকেই জানিয়েছে, ভিক্টোরিয়া হাউসের সামনে আর কোনও জনসভা করা যাবে না। এমনই দাবি মিডিয়া রিপোর্টের।
২১ জুলাই ধর্মতলায় তৃণমূলের শহিদ দিবসের মঞ্চ হবে না, বলে পুলিশের তরফে জানানো হয়েছে বলে খবর। ঙ্গলবার কালীঘাট তৃণমূল ও ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়দের ‘আসল’ তৃণমূলের আবেদন খারিজ করে কলকাতা পুলিশ একথা জানিয়েছে বলে জানা গিয়েছে। ভিক্টোরিয়া হাউস এবং তার চারপাশে আগেকার ফৌজদারি দণ্ডবিধির ১৪৪ ধারা জারি থাকে, অর্থাৎ বর্তমানের ভারতীয় ন্যায় সংহিতার ১৬৩ ধারা অনুযায়ী এখানে জমায়েত করা নিষিদ্ধ, বলে পুলিশ কমিশনার অজয় নন্দা জানিয়েছেন বলে জানা যাচ্ছে। আর এই নিয়মের আওতাতেই ২১ জুলাই তৃণমূল ধর্মতলায় সভা করার অনুমতি পাবে না বলে জানা গিয়েছে।
ঘটনার খবর পেতেই কালীঘাট তৃণমূল বিকল্প স্থান খুঁজে চলেছে। এর আগে, রবিবার ভিক্টোরিয়া হাউসের সামনে ফিতে নিয়ে মাপজোক করতে দেখা গিয়েছিল কালীঘাট তৃণমূলের কুণাল ঘোষ, দোলা সেনদের। তারপরই পুলিশের এই নির্দেশ। ঠিক যে বছরে তৃণমূলের অন্দরে চরম ভাঙন দেখা গিয়েছে, সেই ২০২৬ সালে তৃণমূলের ২১ জুলাই পালন ঘিরে বহু সংশয় তৈরি হয়েছে। এবার অনুষ্ঠান মঞ্চ কোথায় হবে, তা নিয়েও রয়েছে জল্পনা।
