Abhishek Banerjee case in Calcutta HC। অনুমতি ছাড়া বিদেশে যেতে পারবেন না অভিষেক

Spread the love

Abhishek Banerjee case in Calcutta HC: ‘দায়িত্বজ্ঞানহীন’ মন্তব্যের জন্য কলকাতা হাইকোর্টে ভর্ৎসিত হলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। সেইসঙ্গে উস্কানিমূলক মন্তব্যের অভিযোগে যে এফআইআর দায়ের করা হয়েছে, তা খারিজের আর্জিও নাকচ করে দেওয়া হয়েছে। তবে শেষপর্যন্ত শর্তসাপেক্ষে আগামী ৩১ জুলাই পর্যন্ত তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেককে রক্ষাকবচ দিয়েছেন হাইকোর্টের বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্য। হাইকোর্ট জানিয়েছে, জুলাই পর্যন্ত অভিষেকের বিরুদ্ধে কড়া কোনও পদক্ষেপ করা যাবে না। তবে তাঁকে তদন্তে সবরকমের সহযোগিতা করতে হবে।

হাইকোর্ট কী কী শর্ত দিয়েছে অভিষেককে?

১) আদালতের নির্দেশ ছাড়া বিদেশে যেতে পারবেন না অভিষেক।

২) পুলিশের তদন্তে সবরকমের সহযোগিতা করতে হবে তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদকে।

৩) পুলিশ চাইলে জিজ্ঞাসাবাদ করতে পারবে অভিষেককে। সেই আর্জিতে সাড়া দিতে হবে তাঁকে। তবে তৃণমূল সাংসদকে তলব করা হলে নোটিশ দিতে হবে ৪৮ ঘণ্টা আগে।

৪) ইতিমধ্যে যদি পুলিশ কোনও নোটিশ দিয়ে থাকে, তবে আইন মেনে অভিষেক বা তাঁর আইনজীবীকে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে তার জবাব দিতে হবে।

৫) অভিষেক যদি তদন্তে সহযোগিতা না করেন, তাহলে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হতে পারবে পুলিশ। যে রক্ষাকবচ দেওয়া হয়েছে, তা প্রত্যাহারের আবেদন করতে পারবে।

হাইকোর্টের শুনানিতে কী কী হল?

আর যে মামলার প্রেক্ষিতে অভিষেককে শর্তসাপেক্ষে সুরক্ষাকবচ দিয়েছে হাইকোর্ট, তা উস্কানিমূলক মন্তব্যের অভিযোগে দায়ের এফআইআর সংক্রান্ত। বিধানসভা নির্বাচনের প্রচার-পর্বে উস্কানিমূলক মন্তব্যের জন্য তাঁর বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করা হয়। সেই এফআইআর খারিজের জন্য হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন অভিষেক।

কেন এরকম মন্তব্য করবেন অভিষেক?

সেই মামলার শুনানিতে হাইকোর্ট প্রশ্ন তোলেন, তিনবারের সাংসদ ও একটি রাজনৈতিক দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক হয়ে কেন এরকম দায়িত্বজ্ঞানহীন মন্তব্য করবেন অভিষেক? বিশেষত পশ্চিমবঙ্গের সঙ্গে ভোট-পরবর্তী হিংসার একটি কালো ইতিহাস জড়িয়ে আছে যখন, তখন কেন নির্বাচনের সময় এরকম মন্তব্য করা হচ্ছে?

হাইকোর্টের সেই মন্তব্যের প্রেক্ষিতে অভিষেকের আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে ঢাল হিসেবে ব্যবহারের চেষ্টা করেন। তিনি দাবি করেন, নির্বাচনের সময় শাহও উস্কানিমূলক মন্তব্য করেছিলেন। এরকম মন্তব্য করে ফেলেন রাজনৈতিক নেতারা। যদিও কল্যাণের সেই যুক্তি ধোপে টেকেনি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *