Bangladeshi Hindu Leader Death। বাংলাদেশে জেল হেফাজতে মৃত্যু হাসিনা জমানার হিন্দু মন্ত্রীর

Spread the love

বাংলাদেশের কারা হেফাজতে মৃত্যু হল হাসিনা জমানার প্রাক্তন বাংলাদেশি মন্ত্রী রমেশ চন্দ্র সেনের। তিনি ঠাকুরগাঁও-১ আসনের আওয়ামী লীগ সাংদ ছিলেন। রিপোর্ট অনুযায়ী, ৭ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে ৯টা নাগাদ তিনি দিনাজপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে মারা যান। এদিকে মৃত্যুর কারণ হিসেবে নানা অসুস্থতা এবং বার্ধক্যজনিত কারণের উল্লেখ করেছে কারা কর্তৃপক্ষ। তবে উঠছে চিকিৎসার গাফিলতির অভিযোগ।

প্রসঙ্গত, দীর্ঘদিন ধরে বিনা বিচারে কারাগারে ছিলেন রমেশ চন্দ্র সেন। তিনটি হত্যা মামলা ছিল তাঁর বিরুদ্ধে। রমেশ চন্দ্র সেন বাংলাদেশে ৫ বার সাংসদ নির্বাচিত হয়েছিলেন। তিনি জলসম্পদ মন্ত্রী থেকেছেন হাসিনার সরকারে। হাসিনা বাংলাদেশ ত্যাগ করার পরেও রমেশ চন্দ্র সেন বাংলাদেশে ছিলেন। অভিযোগ, আওয়ামী লীগ করার দায়ে তাঁর নামে ভুয়ো হত্যা মামলা দায়ের করে জেলে ভরা হয়েছিল তাঁকে। সেখানে সঠিক চিকিৎসা দেওয়া হত না তাঁকে।

এদিকে শুধুমাত্র রমেশ চন্দ্র সেন নয়, হাসিনার বিদায়ের পর থেকে শতাধিক আওয়ামী লীগ নেতার মৃত্যু হয়েছে কারা হেফাজতে। যা নিয়ে ইউনুস সরকারের বিরুদ্ধে উঠছে আঙুল। রিপোর্ট অনুযায়ী, ২০২৪ এর গণ-অভ্যুত্থানের পর ডিসেম্বর ২০২৫ পর্যন্ত ১১২ জন কারা হেফাজতে মারা গেছেন। এই মৃতদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মী রয়েছেন। কেবল ২০২৪ এর নভেম্বর মাসেই বগুড়া কারাগারে আটক থাকা অবস্থায় অন্তত চার জন আওয়ামী লীগ নেতা/কর্মী মারা গেছেন। ‘নাশকতা’ কিংবা ‘হত্যা মামলার’ আসামী হিসেবে তাদের আটক করা হয়েছিলো। ‘হার্ট অ্যাটাক কিংবা অন্যান‍্য অসুস্থতায়’ এদের মৃত্যু হয়েছে বলে দাবি করা হলেও মৃতের পরিবারের দাবি, চিকিৎসায় গাফিলতি বা কারাগারে অত্যাচারের জেরে মৃত্যু হয়েছে তাঁদের। এরপরও কারা হেফাজতে বেশিরভাগ মৃত্যুর পরে বার্ধক্যজনিত সমস্যার কথা উল্লেখ করা হয়। অনেক ক্ষেত্রেই দেখা গেছে অসুস্থ কারাবন্দিকে সময় মতো হাসাপাতালে পাঠানো হয়নি। আবার হাসপাতালে পাঠানো হলেও চিকিৎসায় গাফিলতি দেখা দিয়েছে। বাংলাদেশের আইন অনুযায়ী, রাষ্ট্র কাউকে হেফাজতে রাখলে তার জীবন ও মানবিক মর্যাদা রক্ষায় বাধ্য। এই আবহে হেফাজতে থাকাকালীন এই সব মৃত্যুর তদন্তের দাবি উঠেছে। তবে ইউনুস সরকার মানুষ মারার কারখানায় পরিণত করেছে বাংলাদেশকে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *