Barun Biswas Murder Case Latets Update। কাঁদতে-কাঁদতে সাক্ষ্য বরুণ বিশ্বাসের ৯২ বছরের বাবার

Spread the love

আদালতে দাঁড়িয়ে অঝোর ধারায় কাঁদছেন ৯২ বছরের বৃদ্ধ। আর ছেলের হত্যা মামলায় সাক্ষ্যদানের সময় প্রাক্তন মন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের (বালু) নাম নিচ্ছেন। সোমবার সেই ঘটনার সাক্ষী থাকল উত্তর ২৪ পরগনার বনগাঁ আদালত। বরুণ বিশ্বাসের হত্যা মামলায় ৩৮ তম সাক্ষী হিসেবে আদালতে সাক্ষ্যদান করেন প্রতিবাদী শিক্ষকের বাবা জগদীশ বিশ্বাস। দুই সন্তানের কাঁধে ভর দিয়ে আদালতে এসে সাক্ষ্য দেন। আদালত সূত্রে খবর, ছেলের হত্যার ঘটনার সঙ্গে প্রাক্তন মন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয়ের যোগ আছে বলে সন্দেহপ্রকাশ করছেন নবতিপর বৃদ্ধ। যে জ্যোতিপ্রিয় তৃণমূল কংগ্রেসের শাসনে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অত্যন্ত কাছের এবং আস্থাভাজন মন্ত্রী ছিলেন বলে রাজনৈতিক মহলের তরফে দাবি করা হয়।

প্রতিবাদী মুখ বরুণ বিশ্বাসকে হত্যা করা হয়েছিল মমতার আমলে

বরুণকে স্কুল থেকে ফেরার পথে ২০১২ সালের ৫ জুলাই গোবরডাঙা স্টেশনের বাইরে গুলি করে খুন করা হয়েছিল। বাম আমলে সুটিয়ায় নারী নির্যাতন (একের পর পর ধর্ষণ ও গণধর্ষণের ঘটনা ঘটেছিল) নিয়ে সরব হওয়া বরুণ তখন প্রতিবাদের মুখ হয়ে উঠেছিলেন। সেই মানুষটাকে হত্যার ঘটনায় নড়ে গিয়েছিল উত্তর ২৪ পরগনা-সহ পুরো পশ্চিমবঙ্গ। কিন্তু ১৪ বছর পরও সঠিক বিচার মেলেনি বলে অভিযোগ করেছেন বরুণ পরিবারের সদস্যরা। তাঁদের দাবি, সেইসময় তদন্তের নামে প্রহসন হয়েছিল।

 

মমতা ক্ষমতাচ্যুত হতেই শুভেন্দু খুলেছেন সেই ফাইল

তবে রাজ্যে পালাবদলের পরে শুভেন্দু অধিকারী সরকার এসে ফের বরুণ হত্যাকাণ্ডের ফাইল খুলেছে। ইতিমধ্যে মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে দেখাও করেছেন বরুণের পরিবারের সদস্যরা। পুলিশে দায়ের করা হয়েছে নয়া অভিযোগ। একটি অভিযোগপত্রে তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী মমতার নামও আছে। আর বরুণের দাদা অসিত তো সরাসরি জ্যোতিপ্রিয়ের নাম করেছেন। যিনি রেশন দুর্নীতি মামলায় জেল খেটেছেন।

সুপারি কিলারকে বরাত দিয়ে বরুণ বিশ্বাসকে হত্যার অভিযোগ

তারইমধ্যে প্রতিবাদী শিক্ষকের বাবা অভিযোগ করেছেন, তাঁর ছোটো ছেলেকে হত্যা করতে সুপারি কিলারকে বরাত দেওয়া হয়েছিল। যে পুলিশ অফিসাররা সেইসময় ঘটনার তদন্ত করেছিলেন, তাঁরা কোনওরকম সহায়তা করেননি। বরুণের মৃত্যু ঘিরে যে পরিস্থিতি ছিল, তা নিয়ে তাঁকে মুখ খুলতেও দেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ করেছেন বরুণের বাবা।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *