CBSE Review Controversy। এই খাতা অন্যের! রিভিউয়ে অভিযোগ তুলে শুনতে হয়েছিল ‘তুমি পাকিস্তানি’

Spread the love

CBSE Review Controversy: সিবিএসই-র মূল্যায়ন প্রক্রিয়া নিয়ে বড়সড় বিতর্কের মাঝে এক পড়ুয়ার অভিযোগকে সত্যি বলে মেনে নিল বোর্ড। দ্বাদশ শ্রেণির এক ছাত্র দাবি করেছিলেন, পুনর্মূল্যায়নের জন্য যে ফিজিক্সের উত্তরপত্র তাঁকে দেখানো হয়েছিল, সেটি তাঁর নয়। অভিযোগ প্রকাশ্যে আসার পর সমাজমাধ্যমে ব্যাপক ট্রোলিংয়ের মুখে পড়তে হয় তাঁকে। এমনকি তাঁকে ‘পাকিস্তানি’ বলেও কটাক্ষ করা হয়। পরে সিবিএসই স্বীকার করে নেয়, প্রযুক্তিগত ত্রুটির কারণে ভুল উত্তরপত্র আপলোড হয়েছিল।

দিল্লির ওই পড়ুয়া বেদান্ত শ্রীবাস্তব প্রথম থেকেই দাবি করেছিলেন, আপলোড হওয়া উত্তরপত্রের হাতের লেখা ও প্রশ্ন সমাধানের ধরন তাঁর সঙ্গে মিলছে না। পরে বোর্ড তাঁর অভিযোগ খতিয়ে দেখে এবং সঠিক উত্তরপত্র ই-মেইলে পাঠায়। সিবিএসই-র এক আধিকারিকও ভুলের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। ঘটনার পর ছাত্রের পরিবার জানায়, সোশ্যাল মিডিয়ায় অপমান ও কটাক্ষের কারণে মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছিল বেদান্ত। তাঁর ভাই সিদ্ধার্থ সমাজমাধ্যমে লিখেছিলেন, শুধুমাত্র অভিযোগ জানানোর কারণেই তাঁদের ‘দেশপ্রেম’ নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়।

বোর্ডের তরফে সংশোধিত উত্তরপত্র পাঠানোর পর বেদান্তের পদার্থবিদ্যায় নম্বর ৬৫ থেকে বেড়ে ৭৪ হয়েছে বলে পরিবারের দাবি। তবে তিনি এখনও পুনর্মূল্যায়নের আবেদন করবেন বলে জানিয়েছেন। উল্লেখযোগ্যভাবে, চলতি বছর সিবিএসই-র অনলাইন পুনর্মূল্যায়ন ব্যবস্থা নিয়ে একাধিক অভিযোগ উঠেছে। কখনও পোর্টাল ক্র্যাশ, কখনও অস্বাভাবিক ফি, আবার কখনও ভুল স্ক্যান করা উত্তরপত্র- সব মিলিয়ে বোর্ডের ডিজিটাল মূল্যায়ন পদ্ধতি নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। বহু পড়ুয়া আবার অভিযোগ করেছে, স্ক্যান করা উত্তরপত্র ঝাপসা, কাটা বা অপাঠ্য ছিল। অনেক ক্ষেত্রে প্রশ্নের উত্তর সম্পূর্ণ দেখা যাচ্ছিল না বলেও দাবি উঠেছে। বিতর্ক বাড়তে থাকায় শিক্ষা মন্ত্রক ও সিবিএসই পরে সাংবাদিক বৈঠক করে। সেখানে জানানো হয়, প্রায় ৯৮ লক্ষ উত্তরপত্র ডিজিটালি স্ক্যান করা হয়েছিল এবং ১৩ হাজারের বেশি কপিতে স্ক্যানিং সমস্যা ধরা পড়ে। পরে আবার খাতা পুনর্মূল্যায়নের ফি কমানো হয়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *