Chinese Ships in Bangladesh Port: বাংলাদেশের চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছাল চিনা নৌসেনার দুটি রণতরী-সহ তিনটি জাহাজ। তার মধ্যে একটি জাহাজ আবার মাসকয়েক আগেই পাকিস্তানের সঙ্গে ‘সি গার্ডিয়ান’ সামরিক মহড়ায় অংশগ্রহণ করেছিল। যদিও বাংলাদেশি নৌসেনার তরফে দাবি করা হয়েছে, চট্টগ্রাম বন্দরে তিন চিনা জাহাজ আসার সঙ্গে সামরিক মহড়া বা অন্য কোনও বিষয়ের যোগ নেই। নেহাতই সৌজন্যমূলক সফরে ওই তিনটি চিনা জাহাজ পাঁচদিনের জন্য চট্টগ্রাম বন্দরে এসেছে। আগামী সোমবার তিনটি জাহাজই বাংলাদেশি জলসীমা ছেড়ে বেরিয়ে যাবে বলে দাবি করা হয়েছে। তবে যে চট্টগ্রাম বন্দরে এসেছে চিনা জাহাজাগুলি, সেখান থেকে ভারতের গুরুত্ব বেশি নয়। ফলে পুরো বিষয়টির উপরে ভারতের নজর থাকবে বলে সংশ্লিষ্ট মহলের তরফে মনে করা হচ্ছে।
বাংলাদেশি নৌসেনার বিবৃতিতে কী বলা হয়েছে?
একটি বিবৃতিতে বাংলাদেশের নৌসেনার তরফে বলা হয়েছে, ‘বাংলাদেশে শুভেচ্ছা সফরে চিনা নৌসেনার জাহাজ। ১৭ সেপ্টেম্বর পাঁচ দিনের শুভেচ্ছা সফরে চিনা নৌসেনার জাহাজ থাং শান, দা ছিং ও থাই হু চট্টগ্রাম বন্দরে এসে পৌঁছেছে। বাংলাদেশ নৌসেনার পক্ষ থেকে সফরকারী জাহাজসমূহের অফিসার ও নাবিকদের উষ্ণ অভ্যর্থনা জানানো হয়। এ শুভেচ্ছা সফর দুই দেশের নৌসেনার মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতা, পেশাগত সম্পর্ক ও বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরও জোরদারে ভূমিকা রাখবে।’
ডেস্ট্রয়ার থেকে গাইডেড-মিসাইল ফ্রিগেট – চিনা নৌসেনার জোড়া রণতরী
এমনিতে থাং শান হল ০৫২ডিএল টাইপের ডেস্ট্রয়ার। চিনা নৌসেনার (পিপলস লিবারেশন আর্মি – নেভি) ৪৮ তম এসকর্ট টাস্ক গ্রুপের ডেস্ট্রয়ার সম্প্রতি এডেন উপসাগরে ‘জলদস্যু-বিরোধী’ অভিযানে সামিল ছিল। আবার দা ছিং হল চিনা নৌসেনার টাইপ ০৫৪এ ধরনের গাইডেড-মিসাইল ফ্রিগেট। যা ২০১৫ সালে যুক্ত হয়েছিল চিনা নৌসেনায়। চলতি বছরের গোড়ার দিকে পাকিস্তানের সঙ্গে যোগ দিয়েছিল ‘সি গার্ডিয়ান’ সামরিক মহড়ায়।

অপর জাহাজটি অবশ্য রণতরী নয়
সেই দুটি রণতরীর সঙ্গে চট্টগ্রাম বন্দরে আসা থাই হু হল অবশ্য যুদ্ধজাহাজ নয়। বরং যুদ্ধজাহাজের বিভিন্ন সামগ্রী জোগান দেওয়ার কাজে ব্যবহৃত হয়। বিভিন্ন রণতরী বা জাহাজকে তেল, জল, খাবার এবং অস্ত্র প্রদান করে থাকে। বিভিন্ন মিশনে যাওয়া যুদ্ধজাহাজকে জোগান প্রদান করে চিনা নৌসেনার থাই হু।