CM Suvendu Adhikari। ‘ব্রেন ড্রেন নয়, লক্ষ্য ব্রেন গেইন!’ ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে রেকর্ড ভর্তির আবেদনে গর্বিত মুখ্যমন্ত্রী

Spread the love

CM Suvendu Adhikari: রাজ্যে ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজগুলিতে ভর্তির রেকর্ড আবেদন। চলতি শিক্ষাবর্ষে প্রথম রাউন্ডেই এই রেকর্ড আবেদন জমা পড়ল। আর এই নিয়ে গর্বিত মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। বৃহস্পতিবার সোশ্যাল মিডিয়ায় এই তথ্য জানিয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, চলতি বছরে শুধু সরকারি নয়, বেসরকারি ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজগুলিতেও ভর্তির সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। তাঁর মতে, রাজ্যের উচ্চশিক্ষা ব্যবস্থার প্রতি ছাত্রছাত্রীদের আস্থা বৃদ্ধি পাওয়ারই প্রতিফলন এই পরিসংখ্যান।২০২৬ সালের জয়েন্ট এন্ট্রান্সের প্রথম দফার কাউন্সেলিং শুরু হয়েছে। প্রথম রাউন্ডের কাউন্সেলিং প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে ৮ জুলাই থেকে। চলবে ১১ জুলাই পর্যন্ত। রাজ্যের ৮৭ টি ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজে প্রথম দফায় ভর্তি প্রক্রিয়া চলছে। আর এর মধ্যেই ৩৬ হাজার ৪৩১ জন ভর্তির জন্য আবেদন করেছেন। গতবারের তুলনায় এই আবেদনের হার ৪১.৮৫ শতাংশ বেড়েছে। গত বছর আবেদন করেছিলেন ২৭ হাজার ১৩৫ জন। রাজ্যের কলেজগুলিতে ইঞ্জিনিয়ারিং পড়ার আগ্রহ ক্রমশ হারাচ্ছিলেন পড়ুয়ারা। সেই কারণে ধুঁকছিল সরকারি, বিশেষ করে বেসরকারি কলেজগুলি। চলতি শিক্ষাবর্ষের জয়েন্ট এন্ট্রান্সের প্রথম দফার কাউন্সেলিংয়ের কয়েকদিন বাকি থাকতেই সরকারি ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজগুলির সমস্ত আসন পূরণ হয়ে গিয়েছে। এছাড়াও বেসরকারি ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজগুলিও স্বস্তি পেয়েছে। কারণ গত কয়েক বছরে রাজ্যের বেসরকারি ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের ৪০-৫০ শতাংশ আসন ফাঁকা থাকত। এর ফলে কয়েকটি কলেজ বন্ধ হওয়ার মতো পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল। এই রেকর্ড ভর্তির আবেদনে স্বস্তি ফিরল কলেজগুলির।

এ বিষয়ে গর্বিত মুখ্যমন্ত্রী এক্স হ্যান্ডেলে লেখেন, ‘বহু বছর পর এই প্রথম, জয়েন্ট এন্ট্রান্স কাউন্সেলিংয়ের প্রথম রাউন্ডেই সরকারি ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজগুলির সমস্ত আসন পূর্ণ হয়ে যাওয়াটা অত্যন্ত গর্ব ও আশার বিষয়। এই প্রবণতা স্পষ্টভাবে ইঙ্গিত দিচ্ছে যে, আমাদের মেধাবী ছাত্রছাত্রীরা উচ্চতর কারিগরি শিক্ষার জন্য আমাদের রাজ্যকেই বেছে নিচ্ছে। আমাদের রাজ্যের শিক্ষাক্ষেত্রের পরিবেশের ওপর যুবসমাজের এই আস্থা দেখে আমি সত্যিই আনন্দিত। সমগ্র রাজ্যে উচ্চশিক্ষার মানোন্নয়নে আমাদের সরকার দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। আমাদের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলির আধুনিকীকরণ ঘটাতে এবং উদ্ভাবন ও শ্রেষ্ঠত্বের এক উন্নত পরিবেশ গড়ে তুলতে আমরা বেশ কিছু সক্রিয় পদক্ষেপ গ্রহণ করছি। আমাদের চূড়ান্ত লক্ষ্য হলো রাজ্যে বিশ্বমানের সুযোগ-সুবিধা তৈরি করে ‘ব্রেন ড্রেন’ (মেধার পলায়ন)-কে ‘ব্রেন গেইন’ (মেধার আহরণ)-এ রূপান্তরিত করা, যাতে আমাদের প্রতিভাবান যুবসমাজ এখানেই নিজেদের ভবিষ্যৎ গড়ে তুলতে পারেন এবং পশ্চিমবঙ্গের উন্নতিতে অবদান রাখতে পারেন।’

এই সাফল্যকে ইতিবাচক বার্তা হিসেবে দেখছে উচ্চশিক্ষা দফতরও। উচ্চশিক্ষামন্ত্রী জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায় বলেন, দীর্ঘদিন ধরে রাজ্য থেকে মেধাবী ছাত্রছাত্রীদের বাইরে চলে যাওয়ার প্রবণতা কমিয়ে তাঁদের রাজ্যেই পড়াশোনার সুযোগ করে দেওয়াই সরকারের লক্ষ্য। তাঁর দাবি, সাম্প্রতিক ভর্তি পরিসংখ্যান প্রমাণ করছে যে সরকারি শিক্ষা ব্যবস্থার প্রতি মানুষের আস্থা ধীরে ধীরে আরও শক্তিশালী হচ্ছে।

 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *