কয়েকদিন আগেই কক্সবাজারে মন্দিরে ভাঙচুর হয়। সীতাকুণ্ডে চন্দ্রনাথ মন্দিরে ইসলামি ধর্মাবলম্বীরা গিয়ে নিজেদের ধর্মীয় স্লোগান তোলেন। হিন্দুদের বিরুদ্ধে মিথ্যা ধর্মীয় অবমাননার অভিযোগ আনা হচ্ছে জায়গায় জায়গায়। দীপু চন্দ্র দাসের মত সাধারণ বাংলাদেশি নাগরিককে নৃশংস ভাবে খুন করা হয় হিন্দু হওয়ার দায়ে। এই সব নিয়ে বাংলাদেশ বিতর্ক জড়িয়েছে। তবে এরই মাঝে ফরিদপুরে পদ্মাপাড়ে আয়োজন করা হয়েছিল ‘গঙ্গাআরতি’।
রিপোর্ট অনুযায়ী, বাংলাদেশ হিন্দু ছাত্র পরিষদের উদ্যোগে গঙ্গাআরতির আয়োজন করা হয়েছিল। ২৯ ডিসেম্বর ফরিদপুর পৌর বিসর্জন ঘাটে এই গঙ্গাআরতি হয়। অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন প্রধান অতিথি ফরিদপুর মহানগর যুবদলের সভাপতি ও ফরিদপুর সদর উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান বেনজির আহমেদ তাবরেজ। এদিকে দীপু দাসের আত্মার শান্তি কামনা করে সেখানে এক মিনিটের নীরবতা পালন করা হয়।
কেন্দ্রীয় হিন্দু ছাত্র পরিষদের যুগ্ম আহ্বায়ক প্রার্থপ্রতিম বিশ্বাস অমিত, পুজো উদযাপন ফ্রন্টের জেলা শাখার সদস্য সচিব অয়ন সাহা, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী দুর্গাপ্রসাদ সাহা, হিন্দু ছাত্র পরিষদের প্রতিনিধি মধ্যে সুদীপ্ত সাহা, অন্তু আচার্য, শুভ লাল দাস, সৌরভ সাহা, সুজয় সাহা, হৃদয় শীল, তন্ময় মজুমদার পরশ, ঋত্বিক কুন্ডু, আকাশ বিশ্বাস দয়াল, জয় হরি সরকার, জয়ন্ত সরকার, প্রণব বিশ্বাস, উদয় সরকার, শুভঙ্কর বণিক, বর্ষণ কর্মকার, পাপ্পু সরকাররাও উপস্থিত ছিলেন গঙ্গা আরতির সময়।
এর আগে সম্প্রতি বাংলাদেশে সংখ্যালঘুদের ওপর অত্যাচারের ঘটনায় তীব্র প্রতিক্রিয়া দিয়েছিল দিল্লি। তবে ভারতের সেই বক্তব্যকে ‘অতিরঞ্জিত’ আখ্যা দিয়েছিল ইউনুসের সরকার। জবাবে ভারতের বিদেশ মন্ত্রক জানিয়েছিল, সংখ্যালঘুদের ওপর হামলার ২৯০০ ঘটনা ঘটেছে বিগত দেড় বছরে। এরপর ভারতে সংখ্যালঘুদের ওপর হামলার ঘটনায় পালটা নিন্দা জানায় বাংলাদেশ। নিজেদের নাগরিকদের সুরক্ষা না দিতে পেরে ভারতের ওপর পালটা চাপ সৃষ্টির এই কৌশল অবলম্বন করে ঢাকা। তবে এর মধ্যেও চট্টগ্রামে এবং বরিশালের বহু স্থানে হিন্দুদের বাড়ি পুড়িয়ে দেওয়া হয়। এই পরিস্থিতিতে কোথাও কোথাও বাংলাদেশি হিন্দুরা প্রতিবাদ প্রদর্শন করে। এর মাঝে বাংলাদেশে গঙ্গা আরতির আয়োজন করা হল।
