Hot Summer School Timing Change। তীব্র গরমে স্কুলের সময় বদলের ছাড়! প্রয়োজনে সকালেই ক্লাস নেওয়ার অনুমতি শিক্ষাদপ্তরের

Spread the love

গরমের ছুটি শেষ হওয়ার পর রাজ্যের স্কুলগুলি খুললেও অস্বস্তিকর আবহাওয়া এবং তাপপ্রবাহের পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ থেকেই যাচ্ছে। সেই কারণেই প্রয়োজনে স্কুলের সময় পরিবর্তন করে সকালে ক্লাস নেওয়ার অনুমতি দিল রাজ্য শিক্ষাদপ্তর। কোন স্কুলে এই পরিবর্তন প্রয়োজন, সেই সিদ্ধান্ত নেবে সংশ্লিষ্ট স্কুল কর্তৃপক্ষই।

গরমের ছুটির পর স্কুল খোলার প্রথম দিনেই শিক্ষাদপ্তরের তরফে একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়। সেখানে বলা হয়, রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় গরমের তীব্রতা এখনও যথেষ্ট বেশি থাকায় স্কুলগুলি নিজেদের পরিস্থিতি অনুযায়ী পাঠদানের সময়সূচি নির্ধারণ করতে পারবে। জেলা স্কুল পরিদর্শকদের দপ্তরে পাঠানো নির্দেশিকায় স্পষ্টভাবে জানানো হয়েছে, প্রয়োজন হলে সকালবেলায় ক্লাস নেওয়া যেতে পারে।

আবহাওয়া দপ্তর এখনও নিশ্চিতভাবে বলতে পারছে না কবে দক্ষিণবঙ্গে বর্ষার আগমন ঘটবে এবং কবে বর্তমান গরমের অস্বস্তি কমবে। সেই পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখেই আগামী দু’সপ্তাহের জন্য স্কুলগুলিকে সময় পরিবর্তনের ক্ষেত্রে বিশেষ ছাড় দেওয়া হয়েছে। শিক্ষাদপ্তরের মতে, স্থানীয় আবহাওয়া এবং পড়ুয়াদের স্বার্থ বিবেচনা করে স্কুল কর্তৃপক্ষ উপযুক্ত সিদ্ধান্ত নিতে পারবে।

উল্লেখ্য, এ বছর ১১ মে থেকে ১৬ মে পর্যন্ত গরমের ছুটি ঘোষণা করা হয়েছিল। পরে তাপমাত্রা বৃদ্ধির কারণে সেই ছুটির মেয়াদ বাড়িয়ে ৩১ মে পর্যন্ত করা হয়। এরপর ১ জুন থেকে রাজ্যের স্কুলগুলি পুনরায় চালু হয়। তবে স্কুল খোলার পরও একাধিক জেলায় গরমের প্রকোপ অব্যাহত থাকায় শিক্ষাদপ্তর নতুন করে এই নির্দেশ জারি করেছে।

শিক্ষাদপ্তরের ধারণা, বিশেষ করে বাঁকুড়া, পুরুলিয়া, পূর্ব বর্ধমান এবং পশ্চিম বর্ধমান জেলায় গরমের সমস্যা বেশি রয়েছে। যদিও কোনও জেলার নাম আলাদা করে নির্দেশিকায় উল্লেখ করা হয়নি, তবু পাহাড়ি অঞ্চল ছাড়া রাজ্যের প্রায় সর্বত্র এই নির্দেশ কার্যকর হবে বলে জানা গিয়েছে। মঙ্গলবার থেকেই বিভিন্ন ডিআই অফিসের মাধ্যমে স্কুলগুলির কাছে এই নির্দেশ পৌঁছে দেওয়ার কাজ শুরু হয়েছে। গোটা বিষয়টির উপর নজরদারির দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে সংশ্লিষ্ট এসআইদের।

তবে কিছু স্কুলে সকালে প্রাথমিক বিভাগ এবং পরে উচ্চ প্রাথমিক থেকে উচ্চমাধ্যমিক স্তরের ক্লাস হয়। সেই ধরনের স্কুলে সমস্ত শ্রেণির পড়ুয়াদের একসঙ্গে সকালবেলায় ক্লাস করানো নিয়ে বাস্তব সমস্যা তৈরি হতে পারে। এ বিষয়ে বিজ্ঞপ্তিতে নির্দিষ্ট কোনও নির্দেশ না থাকায় সংশ্লিষ্ট জেলা স্কুল পরিদর্শকদের সঙ্গে আলোচনা করেই স্কুলগুলিকে পরিকল্পনা করতে হবে বলে জানা গিয়েছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *