India on ‘China-Pak Border’ Commission: যে দু’দেশের মধ্যে কোনও সীমান্তই নেই, তারা কিনা জয়েন্ট বর্ডার কমিশন গঠন করেছে। তথাকথিত ‘পাকিস্তান-চিন বাউন্ডারি জয়েন্ট কমিশন’ নিয়ে একেবারে কড়া প্রতিক্রিয়া দিল ভারত। বুধবার ভারতের বিদেশ মন্ত্রকের তরফে স্পষ্ট ভাষায় বলা হয়েছে, ‘পাকিস্তান এবং চিনের মধ্যে কোনও সীমান্ত নেই। আমরা তথাকথিত যৌথ কমিশনকে খারিজ করে দিচ্ছি, যেটির কোনও আইনি বৈধতা নেই।’ সেইসঙ্গে ভারতীয় বিদেশ মন্ত্রকের তরফে বলা হয়েছে, ‘এরকম নাটকবাজি না করে আমরা আহ্বান জানাচ্ছি যে পাকিস্তান যেন অবৈধভাবে ও বলপূর্বক দখল করে এলাকা ছেড়ে দেয়।’
তথাকথিত পাকিস্তান-চিন সীমান্ত কমিশন নিয়ে বৈঠকের দাবি ইসলামাবাদের
আর ভারতের তরফে সেই মন্তব্য করা হয়েছে তথাকথিত পাকিস্তান-চিন বাউন্ডারি জয়েন্ট কমিশনের বৈঠকের পরে। মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তি নিয়ে ফেঁসে যাওয়া পাকিস্তানের বিদেশ মন্ত্রকের তরফে আজ বলা হয়, ‘পাকিস্তান-চিন সম্পর্কের ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে উভয়পক্ষ আজ পাকিস্তান-চিন যৌথ সীমান্ত কমিশন কার্যকর করেছে। তার ফলে সীমান্ত সামলানো, যৌথ সীমান্ত সমীক্ষা, বাণিজ্য এবং জনগণের মধ্যে পারস্পরিক যোগাযোগ বৃদ্ধির ক্ষেত্রে সহযোগিতার পথ প্রশস্ত হবে।’
কাশ্মীর আমাদের, নাটক না করে ওটা খালি রাখুন, সাফ বার্তা ভারতের
পাশাপাশি ভারতীয় বিদেশ মন্ত্রকের তরফে কড়া ভাষায় বলা হয়েছে, ‘কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল জম্মু ও কাশ্মীর এবং লাদাখের পুরোটাই ভারতের অবিচ্ছেদ্য এবং অখণ্ড অংশ ছিল এবং থাকবে। অবৈধ এবং বলপূর্বক দখল করে রাখা ভারতীয় ভূখণ্ড নিয়ে কোনও পদক্ষেপ করার মতো আইনি এক্তিয়ার নেই পাকিস্তানের।’

বাস্তবে পাকিস্তান ও চিনের কোনও সীমান্তই নেই
অথচ বাস্তবে পাকিস্তান এবং চিনের মধ্যে কোনও সীমান্তই নেই। ইসলামাবাদ যে অংশকে চিন সীমান্তবর্তী এলাকা বলে দাবি করে, তা আদতে পাকিস্তান-অধিকৃত কাশ্মীরের এলাকা। যে অংশ আদতে ভারতের। কিন্তু বেআইনি এবং অবৈধভাবে দখল করে রেখেছে পাকিস্তান। আর সেই পরিস্থিতিতে ভারতের বিদেশ মন্ত্রকের তরফে বলা হয়েছে, ‘আমরা ১৯৬৩ সালের তথাকথিত চিন-পাকিস্তান সীমান্ত চুক্তিকে কখনওই স্বীকৃতি দিইনি। আর এটা বরাবরই বলে এসেছি যে সেই চুক্তি অবৈধ এবং ভিত্তিহীন।’