Nadia Astro Park and Kalimpong Bio Park। কৃষ্ণনগরে অ্যাস্ট্রোপার্ক, কালিম্পঙে বায়োটেক হাব

Spread the love

Nadia Astro Park and Kalimpong Bio Park: নদিয়ায় অ্যাস্ট্রোপার্ক এবং কালিম্পঙে বায়োটেক হাব তৈরি করবে রাজ্য সরকার। আজ পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি কংগ্রেসের সময় দুটি প্রকল্পেরই ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেছেন মন্ত্রী কল্যাণ চক্রবর্তী। তাছাড়াও জোড়া মউও স্বাক্ষর করা হয়েছে। দৃষ্টিহীনদের জন্য ব্রেইল মানচিত্র-সহ রাজ্যের নিজস্ব ম্যাপের জন্য ন্যাশনাল অ্যাটলাস অ্যান্ড থিমেটিক ম্যাপিং অর্গানাইজেশনের সঙ্গে স্বাক্ষর করা হয়েছে একটি মউ। আর অপর মউ স্বাক্ষর করা হয়েছে আইআইটি খড়গপুরের সঙ্গে।

কর্কটক্রান্তি রেখা যাওয়ায় কৃষ্ণনগরে অ্যাস্ট্রোপার্ক

আর কী কারণে অ্যাস্ট্রোপার্কের জন্য নদিয়াকে বেছে নেওয়া হয়েছে, সেটার কারণও ব্যাখ্যা করেছেন রাজ্যের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রী। বলেছেন, ‘ন্যাশনাল কাউন্সিল অফ সায়েন্স মিউজিয়ামের সঙ্গে হাত মিলিয়ে সেই অ্যাস্ট্রোপার্ক তৈরি করা হবে। নদিয়াকেই বেছে নেওয়া হয়েছে, কারণ কর্কটক্রান্তি রেখা বিস্তৃত আছে। যা অ্যাস্ট্রো ফিজিক্সের জন্য একেবারে উপযুক্ত।’

 

পাহাড়ের জীববৈচিত্র্যের কথা মাথায় রেখে বায়োটেক হাব

রাজ্য সরকার সূত্রে খবর, অ্যাস্ট্রোপার্কের জন্য নদিয়ার কৃষ্ণনগরে দু’একর জমি চিহ্নিত করে ফেলা হয়েছে। আর কালিম্পঙে বায়োটেক হাব তৈরির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে পাহাড়ের জীববৈচিত্র্যের জন্য।

তারইমধ্যে ৩৩ তম রাজ্য বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি কংগ্রেসের উদ্বোধন মঞ্চ থেকে গবেষণা এবং উদ্ভাবনী শৈলীর উপরে জোর দেওয়া হয়েছে। গুরুত্ব আরোপ করা হয়েছে বিজ্ঞানের প্রসারের উফরে। রাজ্যের বিজ্ঞান, প্রযুক্তি ও জৈবপ্রযুক্তি দফতরের তরফে বার্তা দেওয়া হয়েছে, বিজ্ঞানকে শুধু গবেষণাগারে আটকে রাখলে হবে না। বিজ্ঞানকে আমজনতার দৈনন্দিন জীবনে প্রয়োগ করতে হবে।

বায়োটেকনোজি অর্থনীতিতে পশ্চিমবঙ্গের সামনে অপার সুযোগ

সেই রেশ ধরে মন্ত্রী জানিয়েছেন, মানুষের কল্যাণের জন্য বিজ্ঞানের সাফল্যকে কাজে লাগাতে হবে। এই যে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি কংগ্রেসের আয়োজন করা হচ্ছে, সেটা যাতে বার্ষিক অনুষ্ঠানের ঊর্ধ্বে উঠে বিজ্ঞান প্রসারের ক্ষেত্রে আরও বেশি করে অবদান রাখে, তা নিশ্চিত করতে হবে। সেজন্য তৈরি করা হোক রূপরেখা। কারণ সামনে আছে অপার সম্ভাবনা।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *