Kolkata New Flyover Latest Update: আর একটা ধাপের অপেক্ষা। তারপরই ৫.৯ কিলোমিটারের নিউ টাউন-মেট্রোপলিটন ফ্লাইওভারের কাজ শুরু হয়ে যাবে। সংবাদমাধ্যম দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়ার প্রতিবেদন অনুযায়ী, ওই ফ্লাইওভার তৈরির পরিকল্পনা এবং প্রকল্পের খরচের উপরে সবুজ সংকেত দিয়েছে পুর ও নগরোন্নয়ন দফতর। চূড়ান্ত অনুমোদনের জন্য এবার ফাইল পাঠানো হয়েছে অর্থ দফতরের অধীনস্থ কমিটির কাছে। সেই কমিটি অনুমোদন দেওয়ার পরই শুরু হবে নিউ টাউন-মেট্রোপলিটন ফ্লাইওভারের কাজ।
নিউ টাউন-মেট্রোপলিটন ফ্লাইওভারের খরচ প্রায় ১,২০০০ কোটি টাকা
প্রাথমিকভাবে রাজ্য বাজেটে নিউ টাউন-মেট্রোপলিটন ফ্লাইওভারের জন্য ৯০০ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছিল। পরবর্তীতে প্রকল্পের খরচ নির্ধারণের জন্য রাইটসকে দায়িত্ব দেওয়া হয় কলকাতা মেট্রোপলিটন ডেভেলপমেন্ট অথরিটির (কেএমডিএ) তরফে। সেই রিপোর্ট ইতিমধ্যে জমা পড়েছে। সম্ভাব্য খরচ ধরা হয়েছে ১,২০০ কোটি টাকার মতো।
অর্থ দফতরের অনুমোদন মিললেই টেন্ডার ডাকা হবে
তারপরই ফাইল পাঠানো হয় পুর ও নগরোন্নয়ন দফতরের কাছে। সরকারি আধিকারিকদের উদ্ধৃত করে ওই প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, ইতিমধ্যে ফ্লাইওভার তৈরির পরিকল্পনায় অনুমোদন দিয়েছে পুর ও নগরোন্নয়ন দফতর। প্রকল্পের যে আনুমানিক ব্যয় ধরা হয়েছে, তাতেও মিলেছে সায়। এবার অর্থ দফতরের কমিটির অনুমোদন পেলেই নিউ টাউন-মেট্রোপলিটন ফ্লাইওভার তৈরির জন্য টেন্ডার ডাকা হবে বলে জানিয়েছেন সরকারি আধিকারিকরা।
কোন পথে এগিয়ে যাবে নিউ টাউন-মেট্রোপলিটন ফ্লাইওভার?
কেএমডিএয়ের সূত্র উদ্ধৃত করে ওই প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, মেট্রোপলিটন ক্রসিং থেকে ফ্লাইওভার শুরু হবে। সোজা এগিয়ে গিয়ে চিংড়িঘাটা মোড় পর্যন্ত যাবে। সেখান থেকে ডানদিকে বেঁকে যাবে। ফের নিকোপার্কের কাছে ডানদিকে ঘুরে সল্টলেক সেক্টর ফাইভের দিকে চলে যাবে। সেক্টর ফাইভ থেকে ওঠার এবং সেক্টর ফাইভে নামার আলাদা অংশ থাকবে। আর শেষপর্যন্ত নিউ টাউনের প্যানাশ অ্যাপার্টমেন্টের কাছে শেষ হবে ফ্লাইওভার।

বিভীষিকা থেকে মুক্তি দেবে নয়া ফ্লাইওভার
আর সেই ফ্লাইওভার তৈরি হয়ে গেলে তথ্যপ্রযুক্তি হাব সল্টলেক সেক্টর ফাইভ এবং নিউ টাউনের যাতায়াতের সমস্যা অনেকটাই কমে যাবে। এখন যা অবস্থা, তাতে বাইপাস ধরে চিংড়িঘাটা পেরিয়ে সল্টলেক যাওয়া বিভীষিকার থেকে কম কিছু নয়। বিশেষত সল্টলেক থেকে ফেরার সময় অভিজ্ঞতা আরও ভয়ানক হয়। নয়া ফ্লাইওভার হয়ে গেলে সেই যন্ত্রণা থেকে মুক্তি মিলবে।