Modi-Dilip Meeting।প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনে দিলীপ ঘোষ! সঙ্গে স্ত্রী রিঙ্কু..মোদীকে আম-সন্দেশ উপহার

Spread the love

রাজ্যের পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন মন্ত্রী দিলীপ ঘোষ দায়িত্ব নেওয়ার পর প্রথমবার দিল্লি সফরে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করলেন। প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনে অনুষ্ঠিত এই সাক্ষাতের সময় সেখানে উপস্থিত ছিলেন দিলীপ ঘোষের স্ত্রী রিঙ্কুও। প্রধানমন্ত্রীর জন্য আম ও সন্দেশ উপহার নিয়ে যান দিলীপ ও রিঙ্কু। প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনের সেই বৈঠকে পশ্চিমবঙ্গের পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন দপ্তরের কাজ আরও গতিশীল ও কার্যকর করার লক্ষ্যে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ দেন প্রধানমন্ত্রী।

সূত্রের খবর, বৈঠকে দিলীপ ঘোষ প্রধানমন্ত্রীকে জানান, রাজ্যের পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন দপ্তরে বর্তমানে প্রায় ১১ হাজার পদ শূন্য রয়েছে। এই বিপুল সংখ্যক শূন্যপদ কীভাবে দ্রুত পূরণ করা যায় এবং প্রশাসনিক কাজকে কীভাবে আরও দক্ষ করা সম্ভব, তা নিয়ে দুই নেতার মধ্যে বিস্তারিত আলোচনা হয়। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী নিজের গুজরাটে প্রশাসনিক অভিজ্ঞতার প্রসঙ্গ তুলে ধরে দিলীপ ঘোষকে একটি বিশেষজ্ঞ দল গঠনের পরামর্শ দেন। তাঁর মতে, দেশের একাধিক রাজ্যে পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন দপ্তর অত্যন্ত সফলভাবে কাজ করছে। সেই সব রাজ্যে বিশেষজ্ঞ দল পাঠিয়ে তাদের কাজ পর্যবেক্ষণ এবং প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করলে পশ্চিমবঙ্গেও সেই অভিজ্ঞতা কাজে লাগানো সম্ভব হবে। শুধু বিশেষজ্ঞ দলই নয়, দিলীপ ঘোষকেও ব্যক্তিগতভাবে বিভিন্ন রাজ্যে গিয়ে উন্নয়নমূলক প্রকল্পের কাজ সরেজমিনে দেখে আসার পরামর্শ দেন প্রধানমন্ত্রী।

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকের পাশাপাশি কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামনের সঙ্গেও সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন দিলীপ ঘোষ। বৈঠকে অর্থমন্ত্রী জানান, পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন খাতে ইতিমধ্যেই পশ্চিমবঙ্গকে ৫১ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ করেছে কেন্দ্র। এই খাতে বরাদ্দের নিরিখে দেশের মধ্যে উত্তরপ্রদেশের পরেই পশ্চিমবঙ্গের স্থান রয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।রিপোর্টে দাবি, অর্থমন্ত্রী বৈঠকে আশ্বাস দেন, অর্থের অভাবে উন্নয়নমূলক কাজ যাতে কোনওভাবেই আটকে না থাকে, সে বিষয়ে কেন্দ্র সহযোগিতা করবে। পাশাপাশি দপ্তরের বিভিন্ন প্রকল্পের বাস্তবায়ন, তহবিলের ব্যবহার এবং ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা নিয়েও আলোচনা হয়। এদিন দিলীপ ঘোষ কেন্দ্রীয় রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণবের সঙ্গেও সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। যদিও সেই বৈঠকের বিস্তারিত এখনও প্রকাশ্যে আসেনি। মন্ত্রী হওয়ার পর দিলীপ ঘোষের এই প্রথম দিল্লি সফরকে রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক দিক থেকে তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল। বিশেষ করে পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন দপ্তরের কাজের গতি বাড়ানো, শূন্যপদ পূরণ এবং কেন্দ্র-রাজ্য সমন্বয়ের বিষয়গুলি এই সফরে বিশেষ গুরুত্ব পেয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে।

 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *