Partha Chatterjee Case Latest Update: প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করল ঠাকুরপুকুর থানা। সূত্রের খবর, ২০২০ সালের একটি ঘটনার প্রেক্ষিতে প্রাক্তন মন্ত্রীর বিরুদ্ধে মামলা রুজু করা হয়েছে। তাছাড়াও প্রাক্তন কাউন্সিলর ঘনশ্রী বাগ, সুদীপ ঘোষ এবং তিলক ভট্টাচার্যের নামও আছে এফআইআরে। যেহেতু ভারতীয় ন্যায় সংহিতা কার্যকর হওয়ার আগে সেই ঘটনা ঘটেছিল, তাই ভারতীয় দণ্ডবিধির একাধিক ধারায় মামলা রুজু করা হয়েছে। তোলাবাজি, মারধর, ভয় দেখানোর মতো ধারা চাপানো হয়েছে তাঁদের বিরুদ্ধে।
কী অভিযোগ করা হয়েছিল?
আর যে অভিযোগের ভিত্তিতে তাঁদের বিরুদ্ধে মামলা রুজু করা হয়েছে, তাতে দাবি করা হয়েছে যে ২০২০ সালের ২৩ জানুয়ারি ঠাকুরপুকুরে ঝামেলা হয়েছিল। তার জেরে একজন আহত হন। ঘটনার সময় জেলা বিজেপির এক সদস্য উপস্থিত না থাকলেও পার্থের নির্দেশে তাঁকে মিথ্যে মামলায় ফাঁসিয়ে দিয়েছিলেন ঘনশ্রীরা। তার জেরে ৩০ জানুয়ারি গ্রেফতার করা হয়েছিল।
এক কোটি টাকাও চাওয়া হয়েছিল, উঠেছে অভিযোগ
অভিযোগ করা হয়েছে যে বিজেপি নেতা যখন জেল হেফাজতে ছিলেন, তখন ছয় মাসের জন্য তাঁদের ব্যবসা বন্ধ করে দিতে বাধ্য করা হয়েছিল। তার জেরে ক্ষতি হয়েছিল ৩০-৪০ লাখ টাকা। শুধু তাই নয়, ওই বিজেপি সদস্যকে জেল থেকে ছাড়ানোর পরিবর্তে ২৫ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়া হয়েছিল। পরবর্তীতে আরও এক কোটি টাকা দাবি করা হয়েছিল বলে অভিযোগ উঠেছে।পরবর্তীতে ২০২০ সালের ২০ জুলাই ওই বিজেপি জেলা সদস্যের মৃত্যু হয় বলে দাবি করা হয়েছে। অভিযোগ করা হয়েছে, বিজেপি সদস্যের মৃত্যুর পরেও হুমকি চলতে থাকে। করা হতে পারে হেনস্থা। পারিবারিক যে ব্যবসা আছে, তাতে বারবার বাধা তৈরি করার চেষ্টা করা হয়েছিল বলে অভিযোগ উঠেছে। যে অভিযোগের প্রেক্ষিতে এফআইআর রুজু করেছে পুলিশ। ইতিমধ্যে শুরু করা হয়েছে তদন্তও।

দীর্ঘদিন ধরেই জেলে ছিলেন পার্থ
বিষয়টি নিয়ে পার্থ বা অভিযুক্তরা কোনও মন্তব্য করেননি। এমনিতে শিক্ষা নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় দীর্ঘদিন জেলে কাটানোর পরে আপাতত বাইরেই আছেন পার্থ। এমনকী বিধানসভা নির্বাচনের আগে নিজের পুরনো বিধানসভা এলাকা বেহালা পশ্চিমে জনসংযোগ সারতেও বেরিয়েছিলেন। ভোটের পরে আবার মুখ খুলেছেন তৃণমূলের অবস্থা নিয়ে।