মহিলা সংরক্ষণ বিল নিয়ে বিরোধীদের ‘ক্রেডিটের ব্ল্যাঙ্কচেক’ দিতে চাইলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। বৃহস্পতিবার লোকসভায় মোদী বলেন, ‘দেখুন, এটার বিরোধিতা করলে স্বাভাবিক ব্যাপার যে আমার রাজনৈতিক লাভ হবে। কিন্তু একসঙ্গে চললে কারও (রাজনৈতিক লাভ) হবে না। এটা লিখে রাখুন। কারণ আলাদা একটা ব্যাপার হবে। কারও আলাদা করে ফায়দা হবে না। আমাদের ক্রেডিট চাই না। যেই এই বিল পাশ হয়ে যাবে, আমি কালই বিজ্ঞাপন দিয়ে সকলকে ধন্যবাদ জানাতে তৈরি আমি। সকলের ছবি ছাপিয়ে দেব। ক্রেডিট আপনারা নিয়ে নিন। ক্রেডিট নিয়ে চিন্তা করছেন? নিয়ে নিন ক্রেডিট। যাঁর ছবি ছাপাতে চান, সরকারি খরচে সেটা ছাপিয়ে দেব। সামনে দাঁড়িয়ে ক্রেডিটের ব্ল্যাঙ্কচেক দিয়ে দিলাম।’
মোদী কী কী বললেন?
১) মোদী: আমি এদিক-ওদিকের বিষয়ে কথা বলছি না। আমরা সাংসদরা যেন এই গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তকে হারিয়ে না ফেলি।
২) মোদী: এই মন্থন থেকে যে অমৃত বেরিয়ে আসবে, তা দেশের রাজনীতির স্বরূপ নির্ধারণ করে তো দেবেই, সেইসঙ্গে দেশের দিশাও নির্ধারণ করে দেবে।
৩) মোদী: বিকশিত ভারত মাত্র শুধুমাত্র বিকশিত রেল, উন্নত পরিকাঠামো, আর্থিক বিকাশ নয়। আমরা শুধু এই ধারণায় সীমাবদ্ধ করতে চাই না। আমরা চাই যে দেশের ৫০ শতাংশ মানুষ নীতি-নির্ধারণের অংশগ্রহণ হয়ে উঠুন।
৪) মোদী: ‘বন্ধু’ হিসেবে একটা পরামর্শ দিতে চাই। মহিলা সংরক্ষণ নিয়ে যখনই যারা বিরোধিতা করেছেন, তারা সেই পরবর্তী নির্বাচনে বিপর্যয়ের মুখে পড়েছে। কিন্তু চব্বিশে সেটা হয়নি। কারণ সবাই একসঙ্গে ছিলেন। আজ আমি আবার বলতে চাই, সবাই যদি একসঙ্গে থাকি, তাহলে কারও রাজনৈতিক ফায়দা হবে না।

৫) মোদী: মহিলারা বলবেন যে ঝাড়ু দেওয়ার কাজে আমাদের সংরক্ষণ দেওয়া হচ্ছে। সে তো বাড়িতেও করতাম। আমরা নীতি নির্ধারণের কাজে আসতে চাই। আর নীতি নির্ধারণ হয় লোকসভায়, বিধানসভায়।