Saudi Arab। মক্কা প্যাক্ট করেও হুথি-কাণ্ডে ব্যাকফুটেপাকিস্তান! সৌদি USর দিকে তাকালেও! পেল কি সাহায্য?

Spread the love

পাকিস্তান, তুরস্কের সঙ্গে মিলে অগস্ট মাসে তিন দেশীয় তাবড় প্রতিরক্ষা চুক্তি মক্কাপ্যাক্টে স্বাক্ষর করেছে সৌদি আরব। এই চুক্তি অনুযায়ী, সন্ধিবদ্ধ এই তিন দেশের বাইরে কোনও তরফে হামলা এই ৩ দেশে হলে, তা ৩ দেশের ওপরই সমান হামলা বলে ধরে নেওয়া হবে। এরপরই হুথিরা হামলা চালিয়েছে সৌদি আরবে। তখন থেকেই আলোচনায় আসে মক্কা চুক্তি। প্রশ্ন ওঠে, ইরান সমর্থিত হুথিদের ওপর কি পাল্টা হামলায় নামবে ইরানের প্রতিবেশী পাকিস্তান? তুরস্কইবা কোন পন্থায় হাঁটবে? বৃহস্পতিবারই এই ইস্যুতে পাকিস্তান নিজের অবস্থান স্পষ্ট করে দিয়েছে। এদিকে, অ্যাক্সিওস-র রিপোর্ট তুলে ধরে ইন্ডিয়া টুডে-র প্রতিবেদন দাবি করেছে, সদ্য সৌদি হুথি হামলা ইস্যুতে ট্রাম্পের আমেরিকার দ্বারস্থ হয়। সেখান থেকেও জবাব এসেছে বলে রিপোর্টের দাবি।

 

পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী খোয়াজা আসিফ, সৌদিতে হুথি হামলা নিয়ে পাল্টা হুঁশিয়ারির সুর শোনান। এদিকে, বৃহস্পতিবার বিদেশমন্ত্রকের মুখপাত্র সজ্জাদ হায়দার খান বলেন, ‘এমন কোনও ভাবনা চিন্তা এখনই আলোচনায় নেই। যখন সময় আসবে, তখন আমরা এই প্যাক্টের আওতায় কাজ করব।’ ফলত, মক্কা প্যাক্ট সত্ত্বেও পাকিস্তান কার্যত ব্যাকফুটে চলে গিয়েছে। এমন অবস্থায় সৌদি, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের দ্বারস্থ হয়। সেখান থেকেও বলা হয়েছে, আপাতত হুথি-সৌদি সংঘাতে সরাসরি যুক্ত হওয়ার ইচ্ছা নেই আমেরিকার, দাবি করছে অ্যাক্সিওস-র রিপোর্ট। এমনই বলছে ইন্ডিয়া টুডের প্রতিবেদন। রিপোর্ট দাবি করছে, সৌদির যুবরাজ মহম্মদ বিন সলমন, ট্রাম্পকে নাকি এই ইস্যুতে ২ বার ফোন করেছেন। এদিকে, হুথিরা এগিয়ে আসছে, উপকূলীয় মোকাহর দিকে। বিপদ আঁচ করেই আমেরিকার প্রেসিডেন্টকে ফোন করেন সলমন। তবে সরাসরি সংঘাতে না গিয়ে, হুথি সম্পর্কে গোয়েন্দা তথ্য সরবরাহের প্রতিশ্রুতি ট্রাম্প, সৌদিকে দিয়েছেন বলেও অ্যাক্সিওস-র রিপোর্ট দাবি করেছে। অ্যাক্সিওসের রিপোর্ট বলছে, মার্কিন সেনার প্রতি ট্রাম্পের স্পষ্ট নির্দেশ রয়েছে ফোকাস ইরানের দিকে বাড়াতে, আর হরমুজকে নিরাপদ রাখার জন্য।

এদিকে, পাকিস্তান, সৌদিতে হুথি হামলা ইস্যুতে গা বাঁচাতে ব্যস্ত। পাকিস্তানের বিদেশমন্ত্রকের মুখপাত্র সাজ্জাদ হুসেন এক পোস্টে লেখেন, পাকিস্তানের মূল বক্তব্য হল, পারস্পরিক প্রতিরক্ষাবিষয়ক মক্কা চুক্তিটি কোনও পূর্ববিদ্যমান পরিস্থিতির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়, অর্থাৎ, চুক্তি স্বাক্ষরের পর শুরু হওয়া যুদ্ধের ক্ষেত্রেই কেবল এটি কার্যকর।এর ফলে সৌদি আরবের পাশে কেবল তুরস্কই অবশিষ্ট থাকে, যারা ‘মক্কা চুক্তি’র অপর এক সদস্য।তবে রিয়াদের পক্ষে তুরস্কের কাছে সামরিক সহায়তা চাওয়ার সম্ভাবনা কম। কারণ বাব আল-মান্দাব প্রণালীর ওপর তারা দীর্ঘকাল ধরেই নিজেদের প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা চালিয়ে আসছে। হুথিদের সাথে কোনো সংঘাত তুরস্ককে ওই প্রণালী এলাকায় তাদের নৌ-উপস্থিতি ও প্রভাব বাড়ানোর অজুহাতই কেবল এনে দিতে পারে। ফলে কূটনৈতিক দিক থেকে সেই রাস্তায় নাও হাঁটতে পারে সৌদি।পরপর ঘটে যাওয়া এসব ঘটনা সৌদির জন্য এক অস্বস্তিকর পরিস্থিতির সৃষ্টি করেছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *