SC on Bengal SIR। এসআইআর মামলায় মমতার সওয়াল মানল সুপ্রিম কোর্ট

Spread the love

মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সওয়াল মেনে নিল সুপ্রিম কোর্ট। সোমবার ভোটার তালিকায় বিশেষ নিবিড় সমীক্ষা (এসআইআর) সংক্রান্ত মামলার শুনানির প্রেক্ষিতে শীর্ষ আদালত নির্দেশ দিয়েছে যে ইলেক্টোরাল রেজিস্ট্রেশন অফিসাররাই (ইআরও) চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন। এসআইআরের কাজে মাইক্রো অবজার্ভাররা শুধুমাত্র তাঁদের সহায়তা করতে পারবেন। সেইসঙ্গে রাজ্যের ৮,৫০৫ জন গ্রুপ-বি অফিসারকে মঙ্গলবার বিকেল পাঁচটার মধ্যে সংশ্লিষ্ট জেলা নির্বাচনী আধিকারিক (ডিইও) বা ইআইওয়ের কাছে রিপোর্ট করে দায়িত্বভার গ্রহণ করতে হবে। প্রয়োজন মতো নির্বাচন কমিশন তাঁদের নির্দিষ্ট দায়িত্ব দেবে বলে নির্দেশ দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। সেইসঙ্গে স্ক্রুটিনির মেয়াদ আরও সাতদিন বাড়ানোর নির্দেশ দিয়েছে শীর্ষ আাদালত। আর তার ফলে চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশের সময়সীমা যে পিছিয়ে যাচ্ছে, তা নিশ্চিত হয়ে গেল। আগামী ১৪ ফেব্রুয়ারি চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ হওয়ার কথা ছিল।

রাজ্যের দেওয়া অফিসারদের নিয়োগ

আগেরদিন যখন শীর্ষ আদালতে এসআইআর মামলা উঠেছিল, তখন কমিশনের তরফে অভিযোগ করা হয়েছিল যে রাজ্য সরকার পর্যাপ্ত অফিসার দেয়নি। তাই মাইক্রো অবজার্ভার নিয়োগ করা যাচ্ছে না। যদিও পালটা রাজ্যের তরফে জানানো হয় যে তারা অফিসার দিতে প্রস্তুত। তারপর আজ শীর্ষ আদালত নির্দেশ দিয়েছে যে মঙ্গলবার বিকেল পাঁচটার মধ্যে রাজ্যের দেওয়া ৮,৫০৫ জন গ্রুপ-বি অফিসারকে কাজে যোগ দিতে হবে। সেইসঙ্গে ইআরও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে বলে নির্দেশ দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট।

‘এটা গণতন্ত্রের পক্ষে এক বিশাল জয়’, বলছে তৃণমূল

আর সেই বিষয়টাকে নিজেদের বড় জয় হিসেবে তুলে ধরছে তৃণমূল কংগ্রেস। রাজ্যের শাসক দলের তরফে বলা হয়েছে, ‘এই রায় নির্বাচন কমিশনের সেই একতরফা পদক্ষেপকে খণ্ডন করে দিল, যার মাধ্যমে তারা এই প্রক্রিয়াকে প্রভাবিত, আতঙ্কিত এবং কারচুপি করতে একচেটিয়াভাবে বাংলায় মাইক্রো-অবজার্ভারদের এনে বসিয়ে রেখেছিল। বিজেপি অনুগতদের ভোটার ডেটাবেসের ব্যাক-এন্ড অ্যাক্সেস দেওয়া হচ্ছিল, যাতে তারা বৈধ ভোটারদের নাম বাদ দিতে পারে। সংবিধান হত্যার সেই অপচেষ্টাকে দেশের সর্বোচ্চ আদালত রুখে দিয়েছে।’

সেইসঙ্গে তৃণমূলের তরফে বলা হয়েছে, ‘এটা গণতন্ত্রের পক্ষে এক বিশাল জয়। বাংলার বিশাল জয়। আর তাদের জন্য এক বিরাট পরাজয়, যারা ভেবেছিল যে প্রতিষ্ঠানগুলোকে সাধারণ মানুষের বিরুদ্ধে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করবে। মানুষের অধিকার, মর্যাদা এবং নির্বাচনের পবিত্রতা রক্ষার এই লড়াই অব্যাহত থাকবে।’

রাজ্য পুলিশের ডিজিকে শো-কজ সুপ্রিম কোর্টের

তারইমধ্যে রাজ্য পুলিশের ভারপ্রাপ্ত ডিজি পীযূষ পান্ডেকেে শো-কজ করেছে সুপ্রিম কোর্ট। অভিযোগ করা হয় যে এনুমারেশন ফর্ম পুড়িয়ে দেওয়ার মতো ঘটনায় দায়ের করা হয়নি এফআইআর। সেই অভিযোগের প্রেক্ষিতে রাজ্য পুলিশের ভারপ্রাপ্ত ডিজিকে শো-কজ করা হয়েছে। কেন এফআইআর দায়ের করা হয়নি, তা লিখিতভাবে জানাতে হবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *