Sohini Dasgupta। বৈধব্য যন্ত্রণা ভুলে নতুন জীবনের পথে পা বুদ্ধদেব দাশগুপ্তর স্ত্রী সোহিনীর

Spread the love

প্রখ্যাত চলচ্চিত্র পরিচালক বুদ্ধদেব দাশগুপ্তের প্রয়াণের পর তাঁর স্মৃতি আর চলচ্চিত্র ভাবনাকে পাথেয় করেই এগিয়েছেন স্ত্রী সোহিনী দাশগুপ্ত। বুদ্ধদেবের কাজের সংরক্ষণ এবং স্মৃতি রক্ষায় ব্রতী সোহিনী। তাঁদের অসময় বয়সী প্রেম, বিয়ে নিয়ে একটা সময় কমচর্চা হয়নি টলিপাড়ায়। শেষদিন পর্যন্ত বুদ্ধদেব দাশগুপ্তর পাশে ছিলেন তাঁর স্ত্রী। দুজনের বয়সের ফারাক ছিল ৩৬ বছরের। বয়সের এই ফারাক কোনওদিন বাধা হয়নি তাঁদের দাম্পত্যে।

বুদ্ধদেব দাশগুপ্ত তাঁর কাছে ছিলেন অভিভাবক, শিক্ষক, বন্ধু এবং স্বামী। তাঁদের সম্পর্ক ছিল গভীর পারস্পরিক শ্রদ্ধার ওপর ভিত্তি করে। বুদ্ধদেবের কাজের পেছনে সোহিনীরও নিরলস প্রচেষ্টা ছিল। সেই গভীর শোক কাটিয়ে সোহিনী আবার জীবনমুখী হতে চেয়েছেন। তাঁর পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন দীর্ঘদিনের বন্ধু সুমন রক্ষিত। এবার আংটি বদল সেরে ফেললেন সোহিনী। তাঁরা একে অপরের সাথে বাকি জীবন কাটানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

সোহিনী ও সুমনের বাগদান অনুষ্ঠানটি অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ আত্মীয়-স্বজন ও বন্ধুদের উপস্থিতিতে সম্পন্ন হয়েছে। সোহিনী ও সুমন একটি সুন্দর তিন তলা কেক কাটছেন। সোহিনী পরনে গোলাপি রঙের সোনালী জরির কাজ করা সিল্কের শাড়ি, গলায় সোনার গয়না, কানে দুল এবং চুলে ফুলের সাজ। মুখে চওড়া হাসি। সুমনও পরনে হালকা গোলাপি রঙের পাঞ্জাবি। কেকের ওপর ‘HAPPY ENGAGEMENT’ লেখা। তাঁদের মুখে আনন্দের ঝিলিক স্পষ্ট। ছবিগুলো তাঁদের খুশির মুহূর্তগুলো ধরে রেখেছে। অনুষ্ঠানের জায়গাটি সুন্দরভাবে গোলাপি ও সাদা ফুলে সাজানো ছিল। বাগদানের আংটি বদলও হয়েছে অত্যন্ত রোমান্টিক পরিবেশে।

সোহিনীর হবু বর সুমন অস্ট্রেলিয়ানিবাসী। পার্থের এক বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনিয়র রিসার্চ ফেলো। ২২ বছর বয়সী সোহিনী ৫৯ বছরের বুদ্ধদেব দাশগুপ্তর প্রেমে পড়েছিলেন। ২০১৫ সালে বিয়ে করেন তাঁরা। বুদ্ধদেব দাশগুপ্তের সহকারী পরিচালক, সহকারী চিত্রনাট্যকার হিসাবে কাজ করেছেন সোহিনী। বুদ্ধদেব দাশগুপ্তর মৃত্য়ুর প্রায় ৫ বছর পর নতুন জীবনের পথে পা বাড়ালেন সোহিনী।সোহিনীর এই সিদ্ধান্ত তাঁর জীবনের এক নতুন বাঁক। বুদ্ধদেব দাশগুপ্তের স্মৃতি ও কাজের দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি নিজের জীবনকে নতুন করে সাজাচ্ছেন সোহিনী। রইল শুভেচ্ছা।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *