Suspected Bangladeshi in Naval Academy। ভারতের নৌসেনা অ্যাকাডেমির লন্ড্রি সেকশনে সন্দেহভাজন বাংলাদেশি

Spread the love

কেরলের কুন্নুরের এজিমালা নৌ অ্যাকাডেমি, ভারতের নৌসেনা অ্যাকাডেমিগুলির অন্যতম। আর সেখানেই ভুয়ো পরিচিতি দিয়ে বেশ কিছুদিন ধরে কাজ করছিলেন বিপ্লব সোরেন। অভিযোগ, ভুয়ো ভারতীয় পরিচিতি দিয়ে সেখানে কাজ করছিলেন বিপ্লব। মূলত, এই বিপ্লব সোরেন বাংলাদেশের নাগরিক বলে সন্দেহ। সদ্য তাঁকে পাকড়াও করেছে কেরল পুলিশ।

৩২ বছরের বিপ্লব সোরেন, কেরলের এজিমালার নৌসেনা অ্যাকাডেমিতে লন্ড্রি সেকশনে কাজ করতেন বলে খবর। চুক্তিভিত্তিক কর্মী হিসাবে সেখানে তিনি যোগ দেন। ভারতীয় নৌ অ্যাকাডেমিগুলিতে নৌসেনা, কোস্টগার্ডদের ট্রেনিং হয়ে থাকে। আর এমনই এক উচ্চ পর্যায়ের নিরাপত্তা বলয়ে থাকা সংবেদনশীল জায়গায় এই বাংলাদেশি নাগরিক কাজ করতেন। ভুয়ো নথি দিয়ে, ভুয়ো ভারতীয় পরিচিতি দিয়ে সেখানে কাজে বিপ্লব ঢুকেছিলেন বলে অভিযোগ। উল্লেখ্য, বেশ কিছুদিন ধরেই বিপ্লবের হাবভাব, ব্যবহারে সন্দেহ হয় নৌসেনা কর্তৃপক্ষের। তারপরই তাঁকে নজরদারিতে রাখা হয়। পরে তাঁকে আটক করে শুরু হয় জেরা। সেই জেরার সময়ই এমন কিছু নথি পান আর বিপ্লবের মোবাইলে এমন কিছু তথ্য পান, যা ইঙ্গিত করে যে বিপ্লব মূলত বাংলাদেশি নাগরিক। নৌসেনা কর্তৃপক্ষের জেরা, তদন্তের পরই কেরল পুলিশের হাতে বিপ্লবকে হস্তান্তর করা হয়।

এই ঘটনাটি প্রশ্ন তুলেছে যে, কীভাবে একজন বিদেশি নাগরিক তার জাতীয়তা শনাক্ত না হয়েই প্রায় এক বছর ধরে একটি কৌশলগতভাবে সংবেদনশীল প্রতিরক্ষা স্থাপনার ভেতরে চুক্তিভিত্তিক কর্মী হিসেবে কাজ করতে সক্ষম হলেন। তদন্তকারীরা এখন খতিয়ে দেখছেন, কীভাবে ওই বাংলাদেশি নাগরিক জাল নথিগুলো সংগ্রহ করে সংবেদনশীল প্রতিরক্ষা প্রতিষ্ঠানে প্রবেশাধিকার পেলেন।কর্তৃপক্ষ এও খতিয়ে দেখছে যে, তিনি অ্যাকাডেমিতে কতদিন ধরে কাজ করছিলেন, কারা তাঁর চাকরিতে সহায়তা করেছিল এবং এই মামলার সঙ্গে কোনও বৃহত্তর নিরাপত্তা ঝুঁকি জড়িত আছে কি না।কান্নুর জেলার বিভিন্ন অংশে মহিলা সহ নথিপত্রহীন বাংলাদেশি নাগরিকদের বিরুদ্ধে পুলিশের অভিযানের মধ্যেই এই ঘটনাটি ঘটল। গোয়েন্দা সংস্থাগুলো থেকে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে এই গ্রেফতারি বলে খবর।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *