TMC councillor arrest: তোলাবাজির অভিযোগে কলকাতার এক কাউন্সিলরকে গ্রেফতার করল পুলিশ। গ্রেফতার করা হয়েছে তাঁর স্বামীকেও। পুলিশ সূত্রে খবর, দিনচারেক আগে অভিযোগ জমা পড়েছিল কলকাতা পুরনিগমের ৬৩ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর সুস্মিতা ভট্টাচার্য এবং তাঁর স্বামী সলিল চট্টোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে। অভিযোগ ওঠে যে তাঁরা এক বৃদ্ধের থেকে হাতিয়ে নিয়েছেন ৩০ লাখ টাকা। সেইসঙ্গে তাঁদের বিরুদ্ধে হুমকি দেওয়ারও অভিযোগ ওঠে। সেই ঘটনার প্রেক্ষিতে আজ ৬৩ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর এবং তাঁর স্বামীকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
এখনও পর্যন্ত কতজন কাউন্সিলরকে গ্রেফতার করা হয়েছে?
তবে এই প্রথম কোনও তৃণমূল কাউন্সিলরকে গ্রেফতার করা হল না রাজ্যে পালাবদলের পরে। তোলাবাজি-সহ বিভিন্ন অভিযোগ উঠেছে কাউন্সিলরদর বিরুদ্ধে। সেজন্য তাঁদের গ্রেফতার করা হয়েছে। যা নিয়ে অনেক কটাক্ষ করে বলেছেন, যে হারে কলকাতার কাউন্সিলরদের গ্রেফতার করা হচ্ছে, তাতে ক্রিকেটের দল নামিয়ে দেওয়া যাবে বা ফুটবলের দল নামিয়ে দেওয়া যাবে মাঠে। এখনও পর্যন্ত কলকাতার কতজন কাউন্সিরলকে গ্রেফতার করা হয়েছে, সেই তালিকা দেখে নিন –
১) ১০১ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর বাপ্পাদিত্য দাশগুপ্ত।
২) ১১৪ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর বিশ্বজিৎ মণ্ডল।
৩) ৩৯ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর মহম্মদ জসিমুদ্দিন।
৪) ১০৬ নম্বর ওয়ার্ডের অরিজিৎ দাস।
৫) ৪২ নম্বর ওয়ার্ডের মহেশকুমার শর্মা।
৬) ৩৬ নম্বর ওয়ার্ডের সচিন সিং।
৭) ১২৩ নম্বর ওয়ার্ডের সুদীপ পোল্লে।

বিধানসভার সই জালিয়াতি কান্ডে চাপে তৃণমূল
আর সেই গ্রেফতারির মধ্যেই বিধানসভায় জাল সই কাণ্ডে বিব্রত হয়ে আছে তৃণমূল। বিধানসভার সই জালিয়াতি কান্ডে আজ দুপুরে মমতার বাড়ি লাগোয়া তৃণমূলের সেন্ট্রাল পার্টি অফিসে (৩০বি হরিশ চ্যাটার্জি স্ট্রিট) আসেন তদন্তকারী আধিকারিকরা। যে ঠিকানা থেকেই বিধানসভার স্পিকারকে চিঠি লেখা হয়েছিল।
যদিও সেইসময় সেখানে ছিলেন না মমতা বা তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁদের অনুপস্থিতিতে সিআইডির তদন্তকারী অফিসার ও কালীঘাট থানার পুলিশ আধিকারিকদের ভিতরে ঢুকতে দেননি তৃণমূল নেতা শুভাশিস চক্রবর্তী। বাধা দেন। তিনি দাবি করেন, অভিষেকের নামে চিঠি নিয়ে এসেছেন তাঁরা। কিন্তু অভিষেকই নেই। তাই তদন্তকারীদের ঢুকতে দিতে পারবেন না। প্রায় ৪৫ মিনিটের টানাপোড়েনের পরে তৃণমূল অফিসে ঢোকেন সিআইডি আধিকারিকরা।