Train Berth Reservation। বাজারে সবজির মতো ট্রেনের বার্থ বিক্রি করেন TTE-রা! বলল হাইকোর্ট

Spread the love

Train Berth Reservation: বাজারে সবজির বিক্রি করার মতো ট্রেনের খালি বার্থ বেচে দেন টিটিইদের (ট্রাভেলিং টিকিট এক্সামিনার) একাংশ। এমনই কড়া মন্তব্য করল কলকাতা হাইকোর্ট। সেই রেশ ধরে দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য দেশের প্রতিটি জোনের জেনারেল ম্যানেজারকে নির্দেশ দিয়েছে বিচারপতি রাজাশেখর মান্থা এবং বিচারপতি বিশ্বরূপ চৌধুরীর ডিভিশন বেঞ্চ। হাইকোর্ট মন্তব্য করেছে, ‘এই আদালত পূর্ব রেলওয়ে এবং দেশের অন্যান্য রেলওয়ে (জোনের) জেনারেল ম্যানেজারের কাছে এই রায়ের একটি অনুলিপি পাঠাতে বাধ্য হচ্ছে, যাতে বাজারে সবজির মতো ট্রেনের খালি বার্থ বিক্রি করা টিটিইদের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ প্রাপ্য শাস্তি নিশ্চিত করা হয়।’

নিউ জলপাইগুড়ি-শিয়ালদা তিস্তা তোর্সা এক্সপ্রেসের ঘটনা

আর গত সপ্তাহে হাইকোর্ট সেই মন্তব্য করেছে নিউ জলপাইগুড়ি-শিয়ালদা তিস্তা তোর্সা এক্সপ্রেসের একটি লুটপাটের ঘটনায়। সংবাদসংস্থা পিটিআইয়ের প্রতিবেদন অনুযায়ী, অভিযোগ উঠেছে যে ২০০৯ সালের ফেব্রুয়ারিতে নিউ জলপাইগুড়ি থেকে শিয়ালদায় আসার সময় বিনা রিজার্ভেশনের টিকিট নিয়ে উঠে টিটিইকে টাকা দিয়ে বার্থ পেয়ে গিয়েছিলেন দু’জন। পরবর্তীতে ঘুমের ওষুধ খাইয়ে তাঁদের সর্বস্ব লুট করে নিয়েছিল দুই অপরাধী। তাঁদের মধ্যে যাঁর কো-মর্বিডিটি ছিল, তাঁর মৃত্যুও হয়েছিল।

‘অত্যন্ত উদ্বেগজনক একটি বিষয়’

হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ জানিয়েছে, নিউ জলপাইগুড়ি থেকে শিয়ালদাগামী‘তিস্তা তোর্সা এক্সপ্রেসে কর্তব্যরত অবস্থায় যে টিটিই কোনও সংরক্ষণ ছাড়াই দুই যাত্রীকে বার্থ বা আসন বরাদ্দ করেছিলেন এবং শিয়ালদা পর্যন্ত তাঁর আগে ও পরে দায়িত্ব পালনকারী অন্যান্য টিটিইরা যে গুরুতরভাবে নিজেদের কর্তব্যে অবহেলা করেছেন, তা ‘অত্যন্ত উদ্বেগজনক একটি বিষয়’।

‘সংশ্লিষ্ট TTE-কে ঘুষ দিয়ে বার্থ পেয়ে গিয়েছিলেন’

ডিভিশন বেঞ্চ জানিয়েছে, ভারতীয় রেলের টিটিইদের কর্তব্যের গাফিলতির কারণেই প্রাথমিকভাবে এই অপরাধ হয়েছে। ২০০৯ সালের ফেব্রুয়ারিতে অরুণ চক্রবর্তী এবং সুনীলকুমার দাস রিজার্ভেশন ছাড়াই তিস্তা তোর্সা এক্সপ্রেসে উঠেছিলেন। আর যে ধারায় তাঁরা অভ্যস্ত ছিলেন, সেটা মেনেই সংশ্লিষ্ট টিটিইকে ঘুষ দিয়ে বার্থ পেয়ে গিয়েছিলেন।

ওই প্রতিবেদন অনুযায়ী, একজন আইনজীবী জানিয়েছেন যে রিজার্ভেশন না থাকা সত্ত্বেও ঘুষের বিনিময়ে ট্রেনে যাঁদের বার্থ দেওয়া হয়, তাঁদের শনাক্ত করা অত্যন্ত কঠিন নয়। এই ধরনের যাত্রীরা রেলের নির্ধারিত রিজার্ভেশন প্রক্রিয়ার মধ্যে দিয়ে যান না, যেখানে নাম ও ফোন নম্বর দিতে হয়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *