২০২৬ টি২০ বিশ্বকাপ শুরুর ঠিক আগের রাতে আরও এক ‘বিশ্বকাপ’ ঘরে এল! ২০২৫-এ দেশের মহিলা ক্রিকেট টিমের বিশ্বকাপ জয়ের পর এবার বিশ্বকাপ দেশে আনল ভারতের পুরুষ অনূর্ধ্ব ১৯ দল। এদিন ‘ঘাতক’ মেজাজে ব্যাটিং করে কার্যত ২২ গজে তাণ্ডব চালান ভারতের যুব ‘রান মেশিন’ বৈভব সূর্যবংশী। তাঁর ৮০ বলে ১৭৫-এ এদিন ভর করে ভারত তার প্রথম ইনিংসের শেষে ৪১১ রানের ‘দানবীয়’ স্কোর তুলে ধরে ইংরেজদের বিরুদ্ধে। শেষমেশ ইংল্যান্ডের ইনিংস থামে ৩১১ রানে। ১০০ রানে বিশ্বকাপে ফাইনালে ইংরেজদের হারাল ভারত।
২০২৬ অনূর্ধ্ব ১৯ পুরুষ ক্রিকেটের ফাইনালে আজ জিম্বাবোয়ের বুলাওয়ে কার্যত রান সুনামির সাক্ষী ছিল। এদিন, প্রথম ইনিংসে ব্যাট হাতে নামে আয়ুষ মাহত্রের ভারত। ২০১৬ সাল থেকে টানা ষষ্ঠ বার ফাইনালে উঠেছে টিম ইন্ডিয়া। তবে এই বারের ফাইনালে যেন রান-তাণ্ডবের মাঝে রেকর্ডের তাণ্ডবও ধরে রাখল ভারতের ছোটদের টিম! এদিন ৫০ ওভার শেষে ৯ উইকেট খুইয়ে ভারত ‘ম্যামথ’ ৪১১ রান স্কোরবোর্ডে রাখে। যা অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপ ফাইনালের ২৮ বছরের ইতিহাসে সর্বোচ্চ দলীয় স্কোর। এদিকে বিপক্ষে থাকা ইংরেজদের লক্ষ্যে থাকে ৪১২ রানের টার্গেট। এদিকে, আজ ১৫টি চার এবং ১৫টি ছয়ে সাজানো ছিল বৈভবের ৮০ বলে ১৭৫ রানের ‘ঝড়’! এর আগে কোনও ক্রিকেটার অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপের ফাইনালে এত রান করতে পারেননি। এদিনের ম্যাচে ৫৫ বলে শতরান করেন বিহারের ১৪ বছর বয়সী বৈভব। যা আরও একটি রেকর্ড। বিশ্বকাপে দ্রুততম শতরানের রেকর্ড রয়েছে অস্ট্রেলিয়ার উইল মালাজচুকের দখলে। চলতি বিশ্বকাপে জাপানের বিরুদ্ধে তিনি ৫১ বলে শতরান করেছিলেন। এদিকে, আজকের ইনিংসে কার্যত বিপক্ষের ইংরেজ বোলারদের নাস্তানাবুদ করে ছাড়ে ভারতীয় ব্যাটিং লাইন আপ।
এদিকে, ফাইনালে ৪১২ রানের টার্গেট তাড়া করতে নেমে ৫ ওভারে প্রথম উইকেট খুইয়ে বসে ইংল্যান্ড। ফিরে যান জোফেফ মুর্স। এরপর ইংল্যান্ডের হয়ে বেন মায়েস ইনিংস এগিয়ে নিতে থাকেন। তবে ১৪ তম ওভারে তাঁর উইকেট পড়ে। এরপর ইংল্যান্ডের স্কোরবোর্ডে যখন ১৪২ রান তখন ১৮ তম ওভারে রিউকে ফেরান কনিষ্ক চৌহান। এরপর ক্রমাগত ‘ইন্টারভেলে’ পর পর উইকেট খোয়াতে থাকেন ইংরেজ ব্যাটাররা। একটা সময় ২২ ওভারে ১৭৭ রানে ৭ উইকেট পড়ে যায় ইংল্যান্ডের। ইংরেজদের তরফে ইনিংস কিছুটা এগিয়ে নিয়ে যান ক্যালেব ফল্কনার। তিনি সম্পন্ন করে ফেলেন তাঁর সেঞ্চুরি। তবে শেষমেশ হারের মুখে পড়ে ইংল্যান্ড।
