UPSC সিভিল সার্ভিস ক্র্যাক করার ৫ টিপস IAS অফিসারের

Spread the love

UPSC Civil Services Preparation Tips: আগামিকাল ইউপিএসসি সিভিল সার্ভিসেসের প্রিলিমিনারি পরীক্ষা। এবার প্রিলিমিনারি পরীক্ষার জন্য প্রায় ৮.২ লাখ আবেদন জমা পড়েছে। আইএএস, আইপিএস বা আইএফএস হওয়ার স্বপ্ন নিয়ে যাঁরা দীর্ঘদিন ধরে প্রস্তুতি নিয়েছেন, তাঁরা পরীক্ষা দেওয়ার জন্য মুখিয়ে আছেন। তবে পরীক্ষার সময় যত এগিয়ে আসছে, তত টেনশনও বাড়ছে। এই বিপুল প্রতিযোগিতার ভিড়ে কীভাবে নিজের জায়গা পাকা করা সম্ভব, তা নিয়ে ভাবনাচিন্তা চলছে। আর ইউপিএসসি সিভিস সার্ভিসেস পরীক্ষায় কীভাবে বাজিমাত করা যায়, তার পাঁচটি টিপস দিলেন ২০২২ ব্যাচের আইএএস অফিসার অর্পিত গুপ্তা। মূল উত্তরপ্রদেশের গোরখপুরের বাসিন্দা অর্পিত মাত্র ২৪ বছর বয়সে সর্বভারতীয় স্তরে ৫৪ তম স্থান অর্জন করেছিলেন। আইআইটি রুরকি থেকে মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে বি.টেক করা অর্পিত মনে করেন, প্রশাসনিক সেবার প্রস্তুতি মানে কেবল গাদাগাদা বই মুখস্থ করা নয়, এটি আসলে নিজেকে মানসিকভাবে একটি প্রশাসনিক ছাঁচে গড়ে তোলার দীর্ঘ প্রক্রিয়া।

‘১ মিনিটে কেউ আমলা হয়ে যায় না’

তাঁর মতে, ‘মাত্র এক মিনিটে তৈরি হয় না আমলা। যদিও পরীক্ষার ফলাফল হয়তো সেই এক মিনিটেই চলে আসে। আজ লাখ-লাখ ছেলেমেয়ে কোচিংয়ে যাচ্ছে এবং প্রতিদিন একই ধরনের জিনিস পড়ছে। কিন্তু ইউপিএসসি আপনার থেকে সাধারণের বাইরে কিছু চায়। কমিশন দেখতে চায় যে আপনার নিজস্ব পরিকল্পনা বা স্ট্র্যাটেজি কী, আপনার নিজে থেকে শেখার অভ্যেস কতটা এবং সবচেয়ে বড় কথা- কী পড়তে হবে এবং কীভাবে পড়তে হবে, তা নিয়ে আপনার ধারণা কতটা পরিষ্কার।’

UPSC নিয়ে ৫ টিপস দিলেন IAS অফিসার

১) বেসিক মজবুত করুন: প্রস্তুতির একদম প্রাথমিক স্তরে নিজের বেসিক কনসেপ্টগুলো সম্পূর্ণ পরিষ্কার রাখুন। যদি আপনার বুনিয়াদ বা ভিত্তি শক্ত হয়, তবে পরবর্তীকালে কঠিন, জটিল এবং বিশ্লেষণাত্মক বিষয়গুলো বুঝতেও আপনার বিন্দুমাত্র অসুবিধা হবে না।

২) বইয়ের সংখ্যা না বাড়িয়ে বারবার রিভিশন: বাজারে থাকা ১০টি নতুন বা আলাদা বই পড়ার চেয়ে মৌলিক বই (যেমন NCERT এবং স্ট্যান্ডার্ড রেফারেন্স বুক) বারবার পড়া অনেক বেশি ফলদায়ক। পরীক্ষার সাফল্যের প্রথম এবং প্রধান শর্ত হল— কম বই কিন্তু সর্বোচ্চবার রিভিশন।

৩) গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্ট হাইলাইট করার অভ্যেস: প্রথম বা দ্বিতীয়বার রিডিং পড়ার সময় গুরুত্বপূর্ণ তথ্য, ডেটা এবং কিওয়ার্ডসগুলো মার্কার দিয়ে হাইলাইট করে রাখুন। এর ফলে পরীক্ষার ঠিক আগের মুহূর্তে যখন রিভিশন দেবেন, তখন পুরো অধ্যায় নতুন করে পড়তে হবে না; শুধু হাইলাইটেড অংশ দেখলেই কাজ হয়ে যাবে।

৪) সংক্ষিপ্ত নোটস তৈরি করুন: পড়াশোনার পাশাপাশি যতটা সম্ভব সংক্ষিপ্ত এবং টু-দ্য-পয়েন্ট নোটস তৈরি করার চেষ্টা করুন। এই সুবিন্যস্ত ও ছোট নোটগুলো পরীক্ষার ঠিক আগে আপনার মূল্যবান সময় বাঁচাবে এবং খুব দ্রুত রিভিশন সারতে সাহায্য করবে।

৫) পড়াশোনার মাঝে ছোট বিরতি বা ব্রেক নিন: একটানা দীর্ঘ সময় ধরে কোনও বিরতি ছাড়া পড়াশোনা করলে মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা কমে যায় এবং মানসিক ক্লান্তি আসে। তাই প্রতিদিন পড়াশোনার মাঝে এক বা দুই ঘণ্টার স্লট শেষে ছোটো-ছোটো ব্রেক নিন। এতে মস্তিষ্ক সতেজ থাকে এবং পড়া সহজে মনে থাকে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *