UPSC Civil Services Self-Study Tips। বিনা কোচিংয়ে UPSC সিভিল সার্ভিসে AIR 14

Spread the love

UPSC Civil Services Self-Study Tips: ইউপিএসসি সিভিল সার্ভিসেস পরীক্ষার সাফল্যের গাঁথার সঙ্গে যেন ধাক্কা খাওয়ার অভিজ্ঞতা ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে থাকে। খুব কম সংখ্যক প্রার্থীই প্রথমবারে ইউপিএসসি সিভিল সার্ভিসেস পরীক্ষায় বাজিমাত করেন। আর সেই পরিস্থিতিতে মানসিক দৃঢ়তা সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে দাঁড়ায়। তেমনই একজন হলেন উত্তরপ্রদেশের সুরভি যাদব। যিনি চতুর্থ অ্যাটেম্পটে ইউপিএসসি সিভিল সার্ভিসেস পরীক্ষায় বাজিমাত করেন। একবার তো মাত্র ০.৬ নম্বরের জন্য ধাক্কা খান।

UPSC-তে ৪ বার অ্যাটেম্পট ও ব্যর্থতা থেকে শিক্ষা

১) প্রথম অ্যাটেম্পট: প্রথম অ্যাটেম্পটে তিনি প্রাথমিক ধাপ অর্থাৎ প্রিলিমস পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে পারেননি। কিন্তু দমে না গিয়ে তিনি নিজের ভুলগুলো শুধরে দ্বিতীয়বার পরীক্ষা দেন।

২) দ্বিতীয় অ্যাটেম্পট: দ্বিতীয় অ্যাটেম্পটে তিনি প্রিলিমস এবং মেইনস উত্তীর্ণ হয়ে ইন্টারভিউ গেন। কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত চূড়ান্ত মেরিট তালিকায় স্থান পাননি। জানা যায়, সেই বছর তিনি চূড়ান্ত কাট-অফ থেকে মাত্র ১০ নম্বরের জন্য পিছিয়ে পড়েছিলেন।

৩) তৃতীয় অ্যাটেম্পট: এই অ্যাটেম্পট ছিল সুরভির জন্য সবচেয়ে বেশি বেদনাদায়ক। মাত্র ০.৬ নম্বরের জন্য প্রিলিমস পরীক্ষায় অনুত্তীর্ণ হন। মাত্র এক নম্বরেরও কম ব্যবধানে ব্যর্থ হওয়া যে কোনও পরীক্ষার্থীর জন্যই মানসিকভাবে ভেঙে পড়ার মতো একটি ঘটনা। সুরভিও সাময়িকভাবে ভেঙে পড়েছিলেনয কিন্তু তাঁর লক্ষ্য ছিল স্থির।

৪) চতুর্থ অ্যাটেম্পট: তিনি বুঝতে পেয়েছিলেন যে, হতাশ হয়ে বসে থাকলে চলবে না, বরং খামতিগুলো খুঁজে বের করে আরও শক্তিশালী হয়ে ফিরে আসতে হবে। অবশেষে তার চতুর্থ অ্যাটেম্পটে সারা ভারতের মধ্যে ১৪ তম স্থান অর্জন করে নিজের স্বপ্নপূরণ করেন।

কোন কৌশলে নিজে নিজে প্রস্তুতি চালিয়ে যান?

১) প্রিলিমস কৌশল: সুরভি প্রিলিমস পরীক্ষার জন্য কোনও বিষয়কেই হালকা করে দেখেননি। বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি, পরিবেশ বিজ্ঞান, কারেন্ট অ্যাফেয়ার্স, জিওগ্রাফি ম্যাপিং এবং ইতিহাস—প্রতিটি বিষয়কেই তিনি সমান গুরুত্ব দিয়েছিলেন। বিশেষ করে বিগত বছরগুলির প্রশ্নপত্র (PYQs) বিশ্লেষণ করে তিনি ম্যাপ পয়েন্টিংয়ের ওপর জোর দেন। তিনি লম্বা মক টেস্ট দেওয়ার চেয়ে ছোটো-ছোটো কনসেপ্ট-ভিত্তিক টেস্ট দেওয়ার ওপর বেশি জোর দিয়েছিলেন, যাতে নিজের দুর্বল জায়গাগুলি সুনির্দিষ্টভাবে চিহ্নিত করা যায়।

২) মেইনস কৌশল: মেইনস পরীক্ষার জন্য সুরভি কেবল উত্তর লেখার সংখ্যার চেয়ে উত্তরের গুণগত মান বা কনসেপ্টের গভীরতার ওপর বেশি জোর দিয়েছিলেন। তিনি বিগত বছরগুলির মেইনস পরীক্ষার নম্বর বিশ্লেষণ করে দেখেছিলেন যে, কোথায় খামতি রয়েছে। চতুর্থ অ্যাটেম্পটে মেইনসে তিনি প্রবন্ধের (Essay) পেপারে ১২১ নম্বর পান।

৩) টপারদের খাতা বিশ্লেষণ: উত্তর লেখার কৌশল শেখার জন্য তিনি বিগত বছরগুলির টপারদের খাতা বিশ্লেষণ করতেন। তবে চোখ-কান বুজে স্রেফ অনুসরণ করতেন না। উত্তরের কাঠামো কীভাবে সাজাতে হয়, তা বোঝার জন্য টপারদের উত্তরপত্র দেখছেন। পরীক্ষার শেষ মুহূর্তে পুরো উত্তর লেখার বদলে প্রশ্ন দেখে মনে মনে উত্তরের রূপরেখা বা ফ্রেমওয়ার্ক তৈরি করতেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *