শনিবার সোনারপুরে আক্রান্ত দলীয় কর্মীর বাড়িতে সাক্ষাৎ করতে যাচ্ছিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই সময়ই তাঁকে ঘিরে ধরে ডিম ছোঁড়া, জামা দেওয়ার অভিযোগ ওঠে। এমনকি তাঁকে মারধরও করা হয়েছে, বলে অভিযোগ। এদিকে, ঘটনার পর আহত অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে দুটি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলেও, তিনি রাতের দিকে হাসপাতাল থেকে বাড়ি ফিরে যান। গোটা ঘটনার পরদিন, রবিবারই অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে মারধর করার ঘটনায় ৫ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।
জানা গিয়েছে, এই গ্রেফতারির সংখ্যা আরও বাড়তে পারে। স্বতঃপ্রণোদিত ভাবে এই পদক্ষেপ করেছে সোনারপুর থানা। জানা গিয়েছে, ঘটনার ভিডিয়ো ফুটেজ দেখে অভিযুক্তদের গ্রেফতার করা হয়েছে। এর আগে, সোনারপুরে অভিষেক চারচাকা থেকে নেমে বাইকে করে এগোতে থাকেন। তখনই তাঁকে আক্রমণ করে ডিম ছোঁড়া হয়। শার্ট ছিঁড়ে দেওয়া হয়। মারধরেরও অভিযোগ রয়েছে। এদিকে, এই ঘটনার পর অভিষেককে তখনই হেলমেট পরানো হয়। একটা সময় ‘চোর চোর’ স্লোগান ওঠে। গোটা ঘটনা নিয়ে ফুঁসে ওঠেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বিজেপিকে নিশানা করে তিনি পোস্ট করেন সোশ্যাল মিডিয়ায়। অন্যদিকে, তৃণমূল দলের তরফেও বিবৃতি দেওয়া হয়। অন্যদিকে, সোনারপুরে যখন এই হামলা হয়, তখন তারপরও ওই নির্যাতনের শিকার তৃণমূল কর্মীর বাড়িতে চলে যান অভিষেক। নির্যাতিতর পরিবারের সঙ্গে কথা বলেন অভিষেক। তিনি সাফ জানান, যতক্ষণ না নির্যাতিতর পরিবার সঠিক নিরাপত্তা পাচ্ছে, ততক্ষণ তিনি ওই বাড়ি থেকে বের হবেন না। পরে কেন্দ্রীয় বাহিনী গিয়ে অভিষেককে বের করে আনে। পরে অভিষেককে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।

শনিবারের গোটা ঘটনা নিয়ে মুখ খুলতে শুরু করেছে বিজেপির বিরোধী জোটের সদস্যরা। কংগ্রেসের তরফে ইতিমধ্যেই ঘটনার নিন্দা করেছেন মল্লিকার্জুন খাড়গে। অন্যদিকে, আপের কেজরিওয়াল, সমাজবাদী পার্টির অখিলেশ যাদবরাও ঘটনার নিন্দা করেন। এরপর রবিবার পুলিশ এই ঘটনায় অভিযুক্ত হিসাবে বেশ কয়েকজনকে গ্রেফতার করে।