‘আমি বানাতে দেব না…’! কেন নিজের বায়োপিক তৈরিতে আপত্তি মিঠুনের?

Spread the love

বাংলা ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রির হোক অথবা হিন্দি, বিশিষ্ট ব্যক্তিদের জীবন নিয়ে বায়োপিক তৈরি হতে মাঝেমধ্যেই দেখা যায়। খুব সম্প্রতি যেমন তৈরি হতে চলেছে সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়ের বায়োপিক। এর আগে মহেন্দ্র সিং ধোনি থেকে শুরু করে বিভিন্ন নামিদামি ব্যক্তিত্বদের বায়োপিক তৈরি হতে দেখা গিয়েছে বড়পর্দায়।

স্বনামধন্য ব্যক্তিত্বদের কথা বললেই মাথায় আসে মিঠুন চক্রবর্তীর কথা। একজন মধ্যবিত্ত বাঙালি যিনি একটা সময় গোটা বলিউডে রাজত্ব করেছিলেন, আজও যিনি সমানতালে অভিনয় করে চলেছেন। সামলাচ্ছেন রাজনৈতিক মঞ্চও। খুব স্বাভাবিকভাবেই মিঠুন চক্রবর্তীর বায়োপিক তৈরি হওয়ার কথা নিশ্চয়ই ভেবেছেন কোনও না কোনও পরিচালক। কিন্তু জানলে অবাক হয়ে যাবেন মিঠুন চক্রবর্তী নিজেই চান না তাঁর বায়োপিক তৈরি হোক।

সম্প্রতি অরিজিৎ চক্রবর্তীকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে মিঠুন বলেন, ‘আমাকে অনেকেই বলেন বায়োপিক বানান, কিন্তু আমি বলি না বানাবেন না। আমি বানাতে দেব না বায়োপিক। আমি এই কারণেই বায়োপিক বানাতে দেব না কারণ আমি যা কষ্ট পেয়েছি, মানুষ হিসাবে তা সহ্য করে আবার লড়ে দাঁড়ানোর ক্ষমতা অনেকের থাকবে না।’

মিঠুন আরও বলেন, ‘আমার লড়াই দেখে কেউ যেন ভেঙে না যায়, তাই বলি আমার বায়োপিক করবেন না। আমার বায়োপিক দেখে যেন কেউ হতাশ না হয়ে যায়, কারও যেন মন খারাপ না হয়। এইজন্যই আমি বারণ করি।’অভিনেতার কথায়, সবাই একটা সময় বলতো যে বুক ফুলিয়ে মাথা তুলে হাটতে কিন্তু তাঁর মা সব সময় নম্র বিনয়ী হতে শিখিয়েছেন। সবসময় শিখিয়েছেন মাথা নিচু করে হাঁটতে। মাথা নিচু থাকলে চলার সময় পথে থাকা পাথর চোখে পড়ে তাই হোঁচট খেতে হয় না।

প্রসঙ্গত, ১৯৭৬ সালে ‘মৃগয়া’ ছবিতে অভিনয় করার মাধ্যমে নিজের চলচ্চিত্র জগত শুরু করেছিলেন মিঠুন। প্রথম ছবিটি জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পুরস্কৃত হয়েছিলেন তিনি। এরপর ১৯৮২ সালে ‘ডিস্কো ড্যান্সার’ ছবিতে অভিনয় করার পর আর পিছনে ফিরে তাকাতে হয়নি তাঁকে।

খুব সম্প্রতি ‘প্রজাপতি ২’ ছবিতে অভিনয় করেছেন মিঠুন। এছাড়াও আগামী দিনে ‘ভূত বাংলা’, ‘লাহোর ১৯৪৭’ ছবিতে অভিনয় করতে দেখা যাবে অভিনেতাকে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *