কিছুতেই ঝুঁটি বাঁধতে দিচ্ছে না কৃষভি! গলদঘর্ম হাল শ্রীময়ীর

Spread the love

বছর দেড়েকের কৃষভিকে বড্ড ভালোবাসে নেটপাড়া। কাঞ্চন মল্লিক ও শ্রীময়ী চট্টোপাধ্যায়ের মেয়ে যতটা মিষ্টি, ততটাই দুষ্টু। আর এই সবকিছু দিয়েই সকলের মন জয় করে নেয় এই খুদে। ২০২৪ সালে বিয়ে করেছিলেন কাঞ্চন ও শ্রীময়ী। আর সেই বছরেই মেয়েকে কোলে পান দম্পতি।কৃষভির একটি ভিডিয়ো শেয়ার করে নিয়েছেন শ্রীময়ী সোশ্যাল মিডিয়াতে। যা সরস্বতী পুজোর দিন সকালের। শ্রীময়ী নিজেও শাড়ি পরেছেন। আর লাল-হলুদ শাড়ি পরিয়েছেন মেয়েকেও। এরপর কৃষভির চুল বাঁধতে বসেই নাজেহাল হয়েপড়ে শ্রীময়ী। খুদের মাম্মার যাকে বলে গলদঘর্ম হাল।

মা আর মেয়ের ভিডিয়ো তুলে দিচ্ছিলেন কাঞ্চন নিজেই। ক্যামেরার পিছন থেকে কৃষভির বাবাকে বলতে শোনা যায়, ‘কী হচ্ছে! সাজুসাজু হচ্ছে। হেমা মালিনির মতো লাগছে তো রে…’! কৃষভির চোখমুখ দেখে স্পষ্ট যে, মা এভাবে চুল ধরে রাখায় বেশ বিরক্ত হচ্ছে কৃষভি নিজেও। শ্রীময়ী তো বলেই ওঠে, ‘ওকে সাজানো সত্যিই উফফ… আমি নিজেও এখনও সাজতে পারিনি।’এই ভিডিয়ো বরাবরের মতো এবারেও মন কেড়ে নিয়েছে নেটপাড়ার। অধিকাংশ মানুষই বরাবর ভালোবাসায় মুড়ে দেন খুদেকে। তবে ব্য়তিক্রমও রয়েছে। অনেকেই এক বছরের কৃষভিকে কটাক্ষ করতে ছাড়ে না। অনেক সময় সেই ট্রোলিং-এর মাত্রা শালীনতার সব সীমা ছাড়িয়ে যায়। তবে ছাড়ার পাত্রী নন শ্রীময়ীও। স্বামী বা সন্তানকে আক্রমণ করলে, বরাবরই তিনি ঢাল হয়ে দাঁড়ান।এই যেমন মেয়েকে নিয়ে অশ্লীল আক্রমণের জবাব দিয়ে বলেছিলেন, ‘আমার মেয়েকে বলেছে, এক রাতে রেট কত। আমার মেয়ের এক রাতের রেট বোঝার ক্ষমতা হয়নি। আমার মেয়ের বাবা-মা এখনও বেঁচে আছে। ওর রোজগার করার কোনও দরকার নেই, রেট জানারও দরকার নেই। যে বলছেন, তার মায়ের রেটটা জানলে ভালো হয়। যে বলছেন, তার স্ত্রী, সন্তানের রেটগুলো আমাকে লিখে পাঠাবেন। যেখানে আপনি ওদের পাঠিয়েছেন, রেটগুলো আমাকে জানান’।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *