শ্যামৌপ্তির জন্যই এই সম্পর্কটা বিয়ে অবধি গড়াল: রণজয়

Spread the love

টলিপাড়ার বাতাসে এখন কেবলই সানাইয়ের সুর। প্রেমদিবসে টলিপাড়ার ‘মোস্ট এলিজিবল ব্যাচেলর’ রণজয় বিষ্ণু সাত পাক ঘুরবেন। তাঁর ব্যক্তিগত জীবন, প্রেম এবং বিচ্ছেদ নিয়ে কাটাছেঁড়ার শেষ নেই। তবে এবার আজীবনের বাঁধনে বাঁধা পড়তে চলেছেন রণজয়। পাত্রী তাঁর গুড্ডি নায়িকা শ্য়ামৌপ্তি।

রণজয়ের জীবনে এর আগে প্রেম এসেছে বারবার। কিন্তু টেকেনি। আর মাত্র একটা দিনের অপেক্ষা, শনিবার সন্ধ্যায় শ্যামৌপ্তির গলায় মালা দেবেন রণজয়।

পর্দায় শ্যামৌপ্তির সঙ্গে তিনবার বিয়ে সেরে ফেলেছেন। বিয়ের আগে একটু নার্ভাস, তবে কাজ নিয়েই বেশি ভাবছেন রণজয়। সঙ্গে শরীরটাও সাথ দিচ্ছে না। টনসিলে এখনও ব্যাথা, অ্যান্টিবায়োটিকের ডোজ চলছে। তবে বিয়ের শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি দুহাতে সামলাচ্ছেন। বিয়েতে কেমন সাজবেন নায়ক?

বিয়ের সাজ

‘বিয়ের দিন ধুতি-পাঞ্জাবি পরব। পাঞ্জাবিটা একটু অন্যভাবে স্টাইল করব। তনুশ্রী (মালহোত্রা) পোশাকের দায়িত্বে রয়েছে। দেখা যাক। শপিং নিয়ে আমি আর শ্য়ামৌপ্তি সেভাবে মাথা ঘামাচ্ছি না। বাড়ির বাকিদের দেখছি শপিং শেষ হচ্ছে না। আমার চেয়ে এই প্রশ্নটা আমার বোনকে করুন, ভালোভাবে উত্তর দেবে।’

বিয়ে নিয়ে ভক্তদের উন্মাদনা

‘আসলে আমাদের বিয়েটা লোকজন ম্য়ানিফেস্ট করেছে। আমরাও যখন জানতাম না আমাদের কোনও সম্পর্ক হবে, লোকে বলত তোমরা বিয়ে করে নাও। তাই বোধহয় মহাবিশ্ব আমাদের মিলিয়ে দিল।’

বিয়ে দেবেন কামাখ্য়ার পুরোহিত

‘আমরা একদম হিন্দু ধর্মের নিয়ম-নীতি মেনে বিয়ে করব। আমরা গড়ে সব বাদ দিয়েছি। গুছিয়ে বললে, আমার দায়িত্ব ওর সম্মানকে মাথা তুলে রাখা। সনাতন ধর্মকে অসম্মান না করে সবটা হবে। আমাদের বিয়ে দেবেন কামাখ্য়ার পুরোহিত। বলতে পারো উনি আমার দাদা, শুধু রক্তের সম্পর্কটাই নেই। উনি প্রত্যেকটা মন্ত্র বুঝিয়ে বলেন। ৭টা ৪০-এ বিয়েতে বসব আমরা, ৯টায় বিয়ে শেষ। বিয়ে-রিসেপশন দুটো একইদিনে হচ্ছে। ইন্ডাস্ট্রির বন্ধুদের আমন্ত্রণ জানিয়েছি ওইদিনেই।’

হবু শ্বশুরবাড়ির সঙ্গে রণজয়ের রসায়ন

‘কাকু বয়সটা ধরে রেখেছে। ওঁনার বয়স ৫৫-র আশেপাশে, কিন্তু দেখলে বোঝা যায় না। আমি তো শ্য়ামৌপ্তিকে মাঝেমাঝেই বলি, তোকে বিয়ে করছি কাকিমার হাতের রান্না খাব বলে। কাকিমা সব রান্না ভালো করেন। শ্য়ামৌপ্তিও রান্না করতে পারে। কিন্তু ওতোটাও পটু নয়। তবে শ্য়ামৌপ্তি বেশি রান্নাঘরে যাক, সেটা আমি চাই না। ও বেশি কাজ করলেই আমি খিটখিট করি। বলি ছেড়েদে, আমি করে নেব’।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *