গোপালকে চুমু খেতে কৃষভিকে অনুরোধ, ট্রোলে কাঞ্চন-শ্রীময়ী

Spread the love

২০২৬ বিধানসভা ভোটে দলের তরফ থেকে একপ্রকার সাইড করে দেওয়া হয়েছে কাঞ্চন মল্লিককে। ভোটে দাঁড়ানোর টিকিট যেমন পাননি, তেমন ঘাসফুল দলের প্রচারেও দেখা যাচ্ছে না আর উত্তরপাড়ার বিদায়ী বিধায়ককে। যদিও রাজনীতির ব্যস্ততা খানিক কমায়, পরিবারের পাশে অভনেতা। এই যেমন শ্রীময়ীর ফেসবুকে পোস্ট করা একটি ভিডিয়োতে দেখা গেল আদুরে মুহূর্ত। তবে সেখানেও পিছু ছাড়ল না ট্রোল।

কাঞ্চনের বাড়িতে রয়েছে প্রতিষ্ঠিত বিভিন্ন দেবতা। নিত্য সেবা হয় গোপালের, আছেন কালী ঠাকুরও। ঠাকুরমশাই আসেন পুজো করতে। আর পাঁচটা বাচ্চার মতো, মাঝেসাঝেই ঠাকুরপুজোয় সামিল হয় খুদে কৃষভিও। বয়স এখন তার মাত্র দেড়। শ্রীময়ীর শেয়ার করা ভিডিয়োতে দেখা গেল, ঠাকুরমশাইয়ের কোলের কাছে বসে গোপাল ঠাকুরকে নিয়ে খেলা করছে। এমনকী, বাবার কথা শুনে বেশ কয়েকটা চুমুও খেল। কিন্তু দূর থেকে। মায়ের কথা শুনে ‘ভাই’ কে করল আদর। তবে শত বলার পরেও, ঠাকুরের গায়ে মুখ ঠেকিয়ে চুমু খায়নি সে।

একজন লেখেন, ‘ও মা কী মিষ্টি একটা ভিডিয়ো’! আরেকজন লেখেন, ‘সোনা মা গোপালকে আদর করছে’! তবে নেটপাড়ার অনেকেই কাঞ্চন-শ্রীময়ীর সমালোচনা করেছেন বারংবার গোপালকে ‘চুমু খেতে’ বলায়। একজন লেখেন, ‘ওইটুকু বাচ্চা বুঝতে পারছে গোপালকে চুমু খেতে নেই, আপনারা বুঝতে পারছেন না’! আরেকজন লেখেন, ‘গোপাল খেলার জিনিস নয়, ভুল শিক্ষা দেবেন না বাড়ির ছোটদের’। আরেকজন লেখেন, ‘বাচ্চা হয়েও ও জানে গোপালকে কীভাবে আদর করতে হয়। দূর থেকে চুমু খেয়েছে সেই কারণে। গালে কেন খাবে। ছোট থেকেই সঠিক শিক্ষা দেওয়া উচিত ছোটদের।’২০২৪ সালের ফেব্রয়ারি মাসে আইনি বিয়ে করেন কাঞ্চন ও শ্রীময়ী। এরপর মার্চে হয় তাঁদের সামাজিক বিয়ে। আর ওই বছরের নভেম্বর মাসেই জন্ম হয় কৃষভির। ছোট থেকেই মেয়ের ছবি-ভিডিয়ো নেটপাড়ায় ভাগ করে নেন দম্পতি।

মেয়ে হওয়ার মাসখানেক পরেই কাজে ফিরেছেন শ্রীময়ী। বুলেট সরোজিনী ও মিলন হবে কতদিনে ধারাবাহিকে দেখা মিলেছে তাঁর। অন্যদিকে, কাঞ্চনের হাতে পরপর কাজ থাকলেও, তাঁর রাজনৈতিক কেরিয়ার বেশ টালমাটাল। ভোটের টিকিট না পাওয়ার পর খানিক হতাশাই ধরা পড়েছে তাঁর গলায়। জানিয়েছেন যে, তিনি আগেই এই ইঙ্গিত পেয়েছিলেন। সঙ্গে স্পষ্ট করেছেন যে, এটা পুরোপুরি তাঁর পুরোপুরি দলের সিদ্ধান্ত। আর দলের সঙ্গে আছেন সবসময়। শোনা যায়, কাঞ্চনের ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে যে চলমান বিতর্ক, তার জেরেই নাকি দলের মধ্যে ক্ষোভ তৈরি হয়েছিল। তাই এই সিদ্ধান্ত।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *