‘চিহ্ন ছিন্ন-ভিন্ন’! প্রতীক-হারা মমতাকে বিঁধলেন পাপিয়া

Spread the love

বিধানসভা নির্বাচন থেকে বিধানসভা উপনির্বাচন, গত চার মাসে বদলে গিয়েছে পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতি। যে প্রতীক গত ১৫ বছর রাজ্য় শাসন করেছে, সেই জোড়াফুল প্রতীক আর অংশ হবে না উপনির্বাচনে। ইভিএম-এ অস্তিত্বই থাকবে না সেই ঘাসের ওপর জোড়াফুল প্রতীকের।

নির্বাচন কমিশনের তরফে জলের মতো স্পষ্ট করা হয়েছে সবটা। ‘মমতা অল ইন্ডিয়া তৃণমূল কংগ্রেস’ নাম পেল ‘কালীঘাট-তৃণমূল’। প্রতীক হিসাবে তারা পেয়েছে ‘ফুটবল খেলোয়াড়’। এদিকে ‘ঋতব্রত-তৃণমূল’- নাম পেল ‘গণতান্ত্রিক তৃণমূল কংগ্রেস’। তাদের প্রতীক আপাতত ‘এনভেলপ’ বা খাম।

আর তৃণমূলের প্রতীক বণ্টন নিয়ে প্রশ্ন করতেই তীব্র কটাক্ষ হানলেন বিজেপি নেত্রী পাপিয়া অধিকারী। নির্বাচন কমিশন কর্তৃক তৃণমূলের সাম্প্রতিক নির্বাচনী প্রতীক নির্ধারণ ও প্রার্থীদের প্রতীক বরাদ্দের বিষয়ে প্রশ্ন তুলে মমতা-ঋতব্রতদের নিয়ে খিল্লি করলেন বিজেপি বিধায়ক।

নির্বাচনী প্রতীক নিয়ে তীব্র তোপ

ভিডিওতে সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে বিজেপি নেত্রী পাপিয়া অধিকারী হাসাহাসি ও কৌতুকের ছলে বিরোধীদলের প্রতীকের সমীকরণ নিয়ে কথা বলেন। তিনি বলেন: ‘খাম তো কোনওদিন খুলবে না। ওই যে মেসি কাণ্ড.. এই রে এবার হিতে বিপরীত হবে। ওদের চিহ্ন, ছিন্ন-ভিন্ন।’

‘এরকম দল বা প্রতীক আমরা কখনো দেখিনি’

বিলুপ্তির দোরগোড়ায় দাঁড়ানো তৃণমূল দলের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে বিস্ময় প্রকাশ করেন এই নেত্রী। তৃণমূলের বিরুদ্ধে তোপ দেগে তিনি মন্তব্য করেন: ‘এত তাড়াতাড়ি একটা অন্যরকম দল! বাপরে আমাদের… মানে গলা কাটছে, থান পাঠিয়ে দিচ্ছে! এসব মানে অবাক করার মতো অদ্ভুত ব্যাপার-স্যাপার। এরকম তো আমরা কখনো দেখিনি ভাই! তবে যাই বলুন, চিহ্ন কিন্তু ছিন্ন-ভিন্ন। ওদের আর কিছুই হবে না’।

ভিডিওটিতে নির্বাচন কমিশনের দেওয়া নতুন প্রতীক (যেমন খাম, ফুটবলার ইত্যাদি) নিয়ে রাজনৈতিক মহলে চলা টানাপোড়েন ও জল্পনাকেই খোঁচা দিয়েছেন বিজেপি নেত্রী। তাঁর দাবি মমতার দলের অভ্যন্তরীণ বিরোধ ও প্রতীকের এমন টালমাটাল অবস্থা প্রমাণ করে যে তাঁদের জমানা এখন শেষের পথে। সেখান থেকে ঘুরে দাঁড়ানোর আর রাস্তা নেই।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *