চীনের বিরুদ্ধে গোপনে পারমাণবিক পরীক্ষা চালানোর অভিযোগ যুক্তরাষ্ট্রের

Spread the love

চীনের বিরুদ্ধে গোপনে পারমাণবিক পরীক্ষা চালানোর অভিযোগ তুলেছে যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন কর্মকর্তাদের দাবি, ২০২০ সালের জুনে বেইজিং এই পরীক্ষা চালিয়েছে। তবে যুক্তরাষ্ট্রের এই অভিযোগকে ভিত্তিহীন বলে উড়িয়ে দিয়েছে চীন।

যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়ার মধ্যে পারমাণবিক অস্ত্র হ্রাস ও নিয়ন্ত্রণ চুক্তির মেয়াদ শেষ হয়েছে গেল ৫ ফেব্রুয়ারি। এর পরপরই চীনের বিরুদ্ধে এক বিস্ফোরক অভিযোগ আনল যুক্তরাষ্ট্র।

মার্কিন কর্মকর্তাদের দাবি, ২০২০ সালে গোপনে একটি পারমাণবিক পরীক্ষা চালিয়েছিল বেইজিং। তবে সিসমিক মনিটরিং ব্যবস্থা এড়াতে অত্যন্ত সুকৌশলে এই পরীক্ষা চালানো হয়।

জেনেভায় এক বৈশ্বিক নিরস্ত্রীকরণ সম্মেলনে অস্ত্র নিয়ন্ত্রণ ও আন্তর্জাতিক নিরাপত্তাবিষয়ক মার্কিন আন্ডার সেক্রেটারি টমাস ডি-ন্যানো দাবি করেন, কয়েকশ টন ক্ষমতাসম্পন্ন ওই পরীক্ষাটি চালানো হয়েছিল ২০২০ সালের ২২ জুন। 

ডি-ন্যানো অভিযোগ করেন, চীনা সামরিক বাহিনী ইচ্ছাকৃতভাবে এই পরীক্ষাগুলো আড়াল করার চেষ্টা করেছে, কারণ তারা জানত এসব পরীক্ষা নিষেধাজ্ঞা সংক্রান্ত প্রতিশ্রুতি লঙ্ঘন করে। তিনি বলেন, চীন ‘ডিকাপলিং’ নামে একটি পদ্ধতি ব্যবহার করেছে, যার মাধ্যমে ভূকম্পন পর্যবেক্ষণের কার্যকারিতা কমিয়ে দেয়া হয়, যেন কেউ তাদের কর্মকাণ্ড শনাক্ত করতে না পারে।

মার্কিন এই অভিযোগকে ভিত্তিহীন বলে উড়িয়ে দিয়েছে বেইজিং। ওয়াশিংটনে চীনা দূতাবাস সাফ জানায়, আগে পরমাণু অস্ত্র ব্যবহার না করার নীতিতে অটল চীন।

বেইজিংয়ের দাবি, তারা আত্মরক্ষামূলক কৌশল এবং পারমাণবিক পরীক্ষার স্থগিতাদেশ কঠোরভাবে মেনে চলছে। যুক্তরাষ্ট্রকেই আন্তর্জাতিক নিরস্ত্রীকরণ বিধিবিধান এবং নিজেদের দেয়া প্রতিশ্রুতি রক্ষা করার পাল্টা আহ্বান জানিয়েছে শি জিনপিং প্রশাসন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *