জয়শ্রীরাম স্লোগান জোড়াসাঁকোতে! শুভেন্দু পিছন ফিরতেই রব উঠল- ‘কবিগুরু লহ প্রণাম’

Spread the love

মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে প্রথম কর্মসূচি হিসেবে আজ জোড়াসাঁকোতে গিয়ে কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রতি শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করলেন শুভেন্দু অধিকারী। সেখানে তিনি মাল্যদান করে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন। শুভেন্দু বলেন, ‘বাংলা, বাঙালি সংস্কতি কবিগুরুর ভাবনা ও চেতনায় হবে। আজ তারই শুভ সূচনা হল। একটাই মন্ত্র চরৈবতি। ধুতি পরে থাকা শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের দল আমরা, আমাদের বাঙালি হওয়া নিয়ে জ্ঞান দিতে হবে না।’ এরই সঙ্গে তিনি বলেন, ‘রাজ্যের এর মধ্যে অনেক ক্ষতি হয়েছে। আর রাজনৈতিক কচকচানি নয়।’

এরপরই মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী রবিন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের সঙ্গে দেখা করতে পা বাড়ান। তখন পিছন থেকে বিজেপি কর্মীরা ‘জয় শ্রী রাম’ স্লোগান তোলেন। তখন একটু বিরক্তি নিয়েই পিছনে তাকান শুভেন্দু অধিকারী। তিনি বলেন – ‘কবিগুরু লহ প্রণাম’ স্লোগান তুলতে। সঙ্গে সঙ্গে স্লোগান বদলে হয়ে যায় – ‘কবিগুরু লহ প্রণাম’। প্রসঙ্গত, আজ রবীন্দ্রজয়ন্তী। এবং তৃণমূলের ‘বাংলা বিরোধী’ তকমা গা থেকে ঝেড়ে ফেলতে মরিয়া বিজেপি এই দিনই নতুন সরকার গঠনের সিদ্ধান্ত নেয়। সেই ঘোষণা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী নিজে করেছিলেন। এই আবহে শপথের মঞ্চে বাঙালিয়ানার ছোঁয়া ছিল। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ছবিতে মালা দেওয়া হয়। মঞ্চে উঠে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ছবিতে ফুল দেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। আর পথ নিয়েই জোড়াসাঁকোতে যান মুখ্যমন্ত্রী।

উল্লেখ্য, পশ্চিমবঙ্গের ভোটের লড়াইতে প্রথম থেকেই বিজেপিকে ‘বহিরাগত’ দল হিসেবে দাগিয়ে দিতে চেয়েছে তৃণমূল। বাঙালি বনাম অবাঙালি বিভাজনের সমীকরণে পশ্চিমবঙ্গের গদি নিজেদের দখলে রাখতে চেয়েছিল তৃণমূল। তবে সে সব সত্ত্বেও বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে বিজেপি বাংলায় সরকার গঠন করল। আজ পশ্চিমবঙ্গের নবম মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথগ্রহণ করলেন শুভেন্দু অধিকারী। আর তাঁর শপথ উপলক্ষে যে মঞ্চ তৈরি করা হয়, সেই মঞ্চে দুর্গাপুজো থেকে শুরু করে বাঙালি সংস্কৃতি এবং ঐতিহ্যের ছাপ ছিল মঞ্চে। অনুষ্ঠান স্থলে ছৌ নাচ ও বাউল গানের আয়োজন করা হয়েছিল।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *