টাকার অভাবে কোমায় থাকা শ্যামকে আনা হয়েছিল বাড়িতে।ঘরেই ড্রেসিং করানো হচ্ছিল, আর সেই শ্যাম আজ বৃহস্পতিবার ভোর রাত থেকে অস্বাভাবিক শ্বাস নিতে শুরু করে।দিকবিদিকশুন্য হয়ে স্ত্রী বিউটিকে রাত ৩ টে নাগাদ ফের নিয়ে যেতে হয় কলকাতার বেসরকারি হাসপাতালে। আশঙ্কাজনক অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি করানো হয় শ্যামকে।পাগলের মতন ছোটাছুটি করতে থাকে বিউটি।কি করবে কিছুই বুঝতে পারেন না তিনি।
১৯ এপ্রিল ব্যারাকপুরে পেট্রোল পাম্প থেকে বাইকের তেল ভরে বেড়ানোর সময় ভয়াবহ বাইক দুর্ঘটনায় তচনচ হয়ে যায় গাঙ্গুলী পরিবার।সেই থেকে কোমায় শ্যাম।জলের মতন অর্থ বেরিয়ে গেছে স্ত্রীর।সোনার গয়না অবশিষ্ট নেই বিক্রি করার।ধার,বাকি,লোন পাহাড় সম হয়ে গেছে।হাসপাতালের বিল ১৪ লক্ষ টাকা মিটিয়েছেন তিনি।এরপর আর এক টাকা ব্যাঙ্কে না থাকায় শ্যামকে নিয়ে আনা হয়েছিল বাড়িতে।সেখানেই স্ত্রী দেখাশোনা করছিলেন।কি করবে বলুন টাকার কথা তো মুখে হয় না।টাকা না থাকলে বিনা চিকিৎসাতেই মরতে হয় গরীবদের।কয়েকদিন ঠিকই ছিল।হঠাৎ আজ ভোর রাত থেকে বাড়াবাড়ি হয় শ্যামের। বাড়িতে ৯০ বছরের বৃদ্ধ মা আর কেউ নেই। সে এত দিন জানতো ছেলের ছোট দুর্ঘটনা ঘটেছে।ছেলের অবস্থা দেখে অসুস্থ হয়ে পড়েন বৃদ্ধা।একা হাতে সব সামলাছিলেন বিউটি।কিন্তু ফের দুর্বিষহ অবস্থার মধ্যে পড়েছে সে।একদিকে স্বামীর চিকিৎসা আরেকদিকে টাকার অভাব,হাসপাতালের বিল এক টাকাও ছাড়বে না।স্বামীকে ঘিরে রেখেছে ডাক্তাররা,চলছে চিকিৎসা। দূর থেকে দেখছেন স্ত্রী। আর পাগলের মতন ছোটাছুটি করছেন সে।এমতাবস্থায় আপনারাই ভরসা, যতটুকু সম্ভব ততটুকু ছবির নিচে থাকা পিন কমেন্টের ডিটেইলসে পাঠিয়ে শ্যামকে আগের মতন ভালো করে তুলুন।অসহায় স্ত্রী, অভাগী বৃদ্ধা মা আপনাদের কাছে হাত জোড় করে অনুরোধ করছেন।
