ভারতে পরপর বাড়ল পেট্রোলের দাম! ওদিকে আন্তর্জাতিক বাজারে আজ সস্তা হল তেল

Spread the love

Crude Oil Price Fall: আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের দামে ফের পতন দেখা গেল। শুক্রবারের বাজারে ব্যারেল প্রতি ক্রুড অয়েলের দাম ৯৫ ডলারের নীচে নেমে আসে। মূলত আমেরিকা ও ইরানের মধ্যে সম্ভাব্য যুদ্ধবিরতি চুক্তির মেয়াদ আরও বাড়তে পারে- এই জল্পনাকেই দাম কমার প্রধান কারণ হিসেবে মনে করা হচ্ছে। মধ্যপ্রাচ্যে দীর্ঘদিন ধরে চলা উত্তেজনার কারণে বিশ্ববাজারে তেলের দামে ব্যাপক অস্থিরতা তৈরি হয়েছিল। তবে সাম্প্রতিক কূটনৈতিক আলোচনার পর পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক হওয়ার ইঙ্গিত মিলছে। এদিকে গত কয়েক সপ্তাহে একাধিকবার ভারতে বেড়েছে জ্বালানি তেলের দাম।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, আমেরিকা ও ইরানের মধ্যে চলমান আলোচনায় যুদ্ধবিরতির সময়সীমা বাড়ানোর বিষয়ে ইতিবাচক অগ্রগতি হয়েছে। যদিও এখনও কোনও আনুষ্ঠানিক ঘোষণা হয়নি, তবুও সম্ভাব্য সমঝোতার খবর আন্তর্জাতিক বাজারে প্রভাব ফেলেছে। বিনিয়োগকারীদের একাংশ মনে করছেন, যদি সংঘাত কিছুটা কমে এবং কূটনৈতিক সমাধানের পথ তৈরি হয়, তাহলে তেলের সরবরাহ ব্যবস্থাও স্থিতিশীল হতে পারে। তারই প্রভাব পড়েছে বাজারে।

বিশেষ করে হরমুজ প্রণালীকে ঘিরে উদ্বেগ অনেকটাই গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছিল। কারণ বিশ্বের একটি বড় অংশের তেল ও গ্যাস এই জলপথ দিয়েই পরিবহণ করা হয়। ইরান-আমেরিকা সংঘাতের জেরে সেখানে অনিশ্চয়তা তৈরি হওয়ায় আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানির দাম দ্রুত বেড়ে গিয়েছিল। এখন পরিস্থিতি খানিকটা শান্ত হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হওয়ায় বাজারে চাপ কমতে শুরু করেছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, ব্রেন্ট ক্রুড এবং ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট- দুই ধরনের অপরিশোধিত তেলের দামেই পতন লক্ষ্য করা গিয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, যুদ্ধবিরতির মেয়াদ যদি আরও বাড়ানো হয় এবং হরমুজ প্রণালী দিয়ে স্বাভাবিক জাহাজ চলাচল নিশ্চিত করা যায়, তাহলে বিশ্ববাজারে তেলের সরবরাহ আরও স্থিতিশীল হতে পারে। তবে পরিস্থিতি এখনও পুরোপুরি স্বাভাবিক হয়নি বলেই মত বিশেষজ্ঞদের। কারণ দুই দেশের মধ্যে চূড়ান্ত সমঝোতা এখনও হয়নি এবং আনুষ্ঠানিক ঘোষণা বাকি রয়েছে। ফলে আন্তর্জাতিক বাজারে অনিশ্চয়তা এখনও পুরোপুরি কাটেনি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *