সকালের দিকে রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক দাবি করেছিলেন, মোটের ওপর নির্বাচন ‘শান্তিপূর্ণ’। এরই সঙ্গে নওদাকাণ্ডে রিপোর্ট তলব করা হয়েছিল। এরপর বেলা গড়াতে ফের উত্তপ্ত হল নওদা। আমজনতা উন্নয়ন পার্টির প্রার্থী হুমায়ুন কবীরকে লক্ষ্য করে হামলা হয় কেন্দ্রীয় বাহিনীর সামনে। তাঁর গাড়ি ভাঙচুর করা হয় লাঠি, বাঁশ দিয়ে। তৃণমূল কর্মীদের সঙ্গে হাতাহাতি হয় হুমায়ুনের সমর্থকদের সঙ্গে। হুমায়ুন কবীরের উদ্দেশে ‘চোর চোর’ স্লোগান দেওয়া হয় বলে অভিযোগ।
তৃণমূলের অভিযোগ, তৃণমূল প্রার্থী সাহিনা মমতাজ খানের উপরে হামলা চালানোর চেষ্টা করেছে হুমায়ুনের দল। পালটা হুমায়ুনদের দাবি, তৃণমূল তাদের উপরে হামলা চালিয়েছে। পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার চেষ্টা করছে পুলিশ এবং কেন্দ্রীয় বাহিনী। দু’পক্ষেরই তরফে কটূকথা ব্যবহার করা হয়। তৃণমূলের অভিযোগ, গালিগালাজ করেছেন হুমায়ুন। উল্লেখ্য, মুর্শিদাবাদের নওদা বিধানসভার শিবনগর এলাকায় বোমাবাজির ঘটনা ঘটে গতকাল। এই পরিস্থিতিতে উত্তেজনা ছড়ায় সেই বিধানসভা কেন্দ্রে। এই ঘটনায় নওদার তৃণমূল প্রার্থী তথা বিদায়ী বিধায়ক সাহিনা মমতাজ খান অভিযোগ করেন, তাঁকে লক্ষ্য করেই বোমা ছোড়া হয়েছিল। রিপোর্ট অনুযায়ী, নওদা বিধানসভার শিবনগর প্রাথমিক বিদ্যালয়ের কাছে বোমাবাজি হয় ২২ এপ্রিল রাতের দিকে। এই বিদ্যালয়টি একটি ভোটকেন্দ্র। সেখানে আগে থেকেই কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন ছিল। তা সত্ত্বেও স্কুলের অদূরে এই বোমা বিস্ফোরণ ঘটানো হয় বলে অভিযোগ।
এদিকে এই বোমাবাজির ঘটনায় জখম হয়েছেন স্থানীয় এক মহিলা। বোমাবাজির সময় এলাকাতেই উপস্থিত ছিলেন নওদা বিধানসভার তৃণমূল প্রার্থী সাহিনা মমতাজ খান। তিনি অবশ্য অক্ষত রয়েছেন। তবে তাঁর অভিযোগ, তাঁকে নিশানা করেই বোমাবাজি করা হয়। এদিকে বোমাবাজি প্রসঙ্গে হুমায়ুন বলেন, ‘আমার লোককে পাথর ছুড়লে পাল্টা রসগোল্লা ছুড়বে নাকি? একটি ঢিল ছুড়লে দুটো পাটকেল খেতে হবে।’
