Drug kingpin Virender Singh Basoya: বিদেশে আত্মগোপন করে থাকা মাদক পাচারকারীদের বিরুদ্ধে কেন্দ্রের ‘জিরো টলারেন্স’ নীতির বড় সাফল্য হিসেবে নার্কোটিক্স কন্ট্রোল ব্যুরো (NCB)-এর সংযুক্ত আরব আমিরশাহির থেকে মাদক সম্রাট বীরেন্দ্র সিং বাসোয়াকে ভারতে ফিরিয়ে আনার ঘটনাকে স্বাগত জানালেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah)।
শুক্রবার এক্স হ্যান্ডেলে এক পোস্টে অমিত শাহ বলেন, ‘বিদেশে লুকিয়ে থাকা মাদক পাচারকারীদের বিরুদ্ধে নরেন্দ্র মোদী সরকার নিরলসভাবে অভিযান চালাচ্ছে এবং তাদের গোটা অপরাধচক্র ভেঙে দেওয়ার লক্ষ্যে কাজ করছে।’ তিনি আরও বলেন, মাদকের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতিতে আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক তৈরি হয়েছে। নার্কোটিক্স কন্ট্রোল ব্যুরো (এনসিবি) পলাতক মাদক কারবারি বীরেন্দ্র সিং বাসোয়াকে (Virender Singh Basoya) সংযুক্ত আরব আমিরশাহি থেকে ভারতে ফিরিয়ে আনতে সক্ষম হয়েছে বলে জানান তিনি। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কথায়, ‘অপরাধী চক্রের শীর্ষস্তর থেকে নিম্নতম স্তর পর্যন্ত এবং নিম্নতম স্তর থেকে শীর্ষস্তর পর্যন্ত তদন্তের মাধ্যমে এই সাফল্য এসেছে। বিদেশে আত্মগোপন করেও মাদক পাচারকারীদের ভারতীয় আইনের হাত থেকে রেহাই মিলবে না।’
প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, ভারতীয় কর্তৃপক্ষের উদ্যোগে দুবাই থেকে এয়ার ইন্ডিয়ার ৪৩১০ নম্বর বিমানে করে বীরেন্দ্র বাসোয়াকে ভারতে আনা হয়। প্রায় ৬,০০০ কোটি টাকা মূল্যের মাদক সংক্রান্ত পুনে মামলায় তিনি অভিযুক্ত। তাঁর বিরুদ্ধে এনসিবি রেড কর্নার নোটিশ জারি করেছিল। পরবর্তীতে দুবাইয়ে তাঁকে গ্রেফতার করা হয়। ভারত সরকারের উদ্যোগে তাঁকে ভারতে প্রত্যর্পণ করা হয়েছে বলে জানা গেছে। আন্তর্জাতিক মাদক পাচার চক্রের বিরুদ্ধে ভারতের চলমান অভিযানে এটিকে গুরুত্বপূর্ণ সাফল্য হিসেবে দেখছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থাগুলি। বীরেন্দ্র বাসোয়াকে প্রায় ১৩,০০০ কোটি টাকা মূল্যের মাদক সংক্রান্ত দিল্লি পুলিশের একটি মামলার প্রধান অভিযুক্ত সন্দীপ ধুনিয়ার ঘনিষ্ঠ বলেও দাবি করা হয়েছে। তথ্য অনুযায়ী, ধুনিয়া দুবাই থেকে পাকিস্তানে পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়েছিল। বিদেশে বসে বড় মাপের মাদক পাচারচক্র পরিচালনার অভিযোগে অভিযুক্ত পলাতকদের বিরুদ্ধে এনসিবি এবং অন্যান্য কেন্দ্রীয় সংস্থার অভিযানের ক্ষেত্রে বীরেন্দ্র বাসোয়াকে ভারতে ফিরিয়ে আনার ঘটনাকে গুরুত্বপূর্ণ সাফল্য হিসেবে দেখা হচ্ছে।
