নেতাজির নাম ও ছবি রাখতে হবে, তবেই মাসে ৩০০০০ টাকা দেবে রাজ্য! ঘোষণা শুভেন্দুর

Spread the love

নেতাজির অপমান নিয়ে যে ‘ক্ষত’ তৈরি হয়েছে, তাতে প্রলেপ লাগানোর চেষ্টা করলেন শুভেন্দু অধিকারী? বিধায়কদের নিজস্ব অফিস চালানোর জন্য মাসিক ৩০,০০০ টাকা প্রদানের ক্ষেত্রে যে দুটি শর্ত চাপালেন, তাতে সেই প্রশ্নই উঠছে। মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, নিজেদের অফিস চালানোর জন্য বিধায়কদের মাসিক ৩০,০০০ টাকা দেওয়া হবে। তবে সেই টাকা পাওয়ার জন্য দুটি শর্তপূরণ করতে হবে সংশ্লিষ্ট বিধায়কদের। ওই অফিসের নাম রাখতে হবে ‘নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু সেবাকেন্দ্র’। সেইসঙ্গে ওই অফিসে ধুতি-পঞ্জাবি পরিহিত নেতাজির একটি ছবি রাখতে হবে। যে ছবি রাজ্য সরকারের তরফেই পাঠানো হবে বলে ঘোষণা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। যাঁরা সেই শর্তপূরণ করবেন, তাঁরা টাকা পাবেন না বলে স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিয়েছেন।

মাসিক টাকা পেতে মানতে হবে জোড়া শর্ত

তিনি বলেছেন, ‘যে বিধায়করা তাঁদের সেবাকেন্দ্র চালু করবেন, সেই সেবাকেন্দ্রের নাম দিতে হবে নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু সেবাকেন্দ্র। আর পশ্চিমবঙ্গ সরকারের তথ্য ও সংস্কৃতি দফতরের থেকে আমরা ধুতি-পঞ্জাবি পরিহিত নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর একটি ছবি আপনাদের পাঠাব। ওই অফিসে সেটা আপনাদের রাখতে হবে বাধ্যতামূলকভাবে। এই দুটো কাজ যদি করতে পারেন, তাহলে ৩০,০০০ টাকা করে মাসে আপনারা সেবাকেন্দ্র চালানোর জন্য পাবেন।’

ক্ষতে প্রলেপ লাগানোর চেষ্টা?

আর তিনি সেই ঘোষণা করেছেন এমন একটা সময়, যখন নেতাজির ‘অপমান’ সত্ত্বেও রাজ্য সরকার সেরকম কোনও পদক্ষেপ করছে না বলে অভিযোগ উঠেছে। বিশেষত রাজ্যসভার সাংসদ অনন্ত মহারাজের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে যে তিনি বারবার নেতাজিকে নিয়ে কুরুচিকর মন্তব্য করছেন। আবার বীরভূমে বিজেপি বিধায়কের উপস্থিতিতে নেতাজির নামাঙ্কিত রাস্তার নাম পালটে করে দেওয়া হয়েছে শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের নামে। পুরসভার অনুমোদন ছাড়াই সেই কাজ করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

অগস্ট থেকে টাকা মিলবে, ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর

সেই আবহে মুখ্যমন্ত্রী ‘সেবাকেন্দ্রের’ ক্ষেত্রে নেতাজির নাম ও ছবি রাখার শর্ত চাপালেন। তিনি জানিয়েছেন, বিধায়কদের অফিস বা সেবাকেন্দ্র চালানোর জন্য অর্থের প্রয়োজন হয়। দুটি শর্তপূরণ করলে সেই মর্মে বিধায়কদের প্রতি মাসে ৩০,০০০ টাকা দেওয়া হবে। অগস্ট থেকেই সেই টাকা মিলবে। বিধানসভার পরবর্তী অধিবেশনে সংশোধনী আনা হবে। অগস্ট থেকে একসঙ্গে টাকা পেয়ে যাবেন বিধায়করা।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *