মার্কিন প্রতিরক্ষা বিভাগের কার্যালয় হিসেবে ব্যবহৃত সুবিশাল পেন্টাগনে একটি বিপজ্জনক পদার্থ সংক্রান্ত ঘটনা ঘটেছে এবং তার তদন্ত করছে দমকলকর্মীরা। এ ঘটনায় পেন্টাগনের একাধিক তলা ও করিডোর বন্ধ করে দেয়া হয়েছে এবং অন্যদের সরিয়ে নেয়া হচ্ছে।
সংশ্লিষ্ট তিনটি সূত্র এবং স্থানীয় দমকল বিভাগ এ তথ্য জানিয়েছে।
পেন্টাগনের মুখপাত্র শন পার্নেল বৃহস্পতিবার নিশ্চিত করেন যে, ‘পেন্টাগনের অভ্যন্তরীণ ব্যবস্থায় বায়ুর মান নিয়ে একটি সমস্যা শনাক্ত হয়েছে, যার গুরুত্ব নির্ধারণ না করা পর্যন্ত সতর্কতামূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা প্রয়োজন।’
পার্নেল বলেন, ‘বিভাগটি সম্ভাব্য ক্ষতিগ্রস্ত এলাকার জন্য ‘শেল্টার-ইন-প্লেস’ আদেশসহ প্রচলিত সুরক্ষা প্রোটোকলগুলো কার্যকর করছে। উদ্ধারকারী দলগুলো ভবনের বাসিন্দাদের সহায়তা করার জন্য প্রস্তুত রয়েছে।’
পেন্টাগন ফোর্স প্রোটেকশন এজেন্সির ‘বিপজ্জনক পদার্থ’ মোকাবিলাকারী দল আর্লিংটন কাউন্টি ফায়ার ডিপার্টমেন্টের সহায়তায় উদ্ধারকাজ চালাচ্ছে বলে বিভাগটির মুখপাত্র ক্যাপ্টেন জেমি জিল জানিয়েছেন।
আর্লিংটন ফায়ার অ্যান্ড ইএমএস-এর পক্ষ থেকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে একটি পোস্টে বলা হয় যে, আর্লিংটন কাউন্টি ফায়ার ডিপার্টমেন্টের বিপজ্জনক পদার্থ মোকাবিলাকারী দল পেন্টাগনে ‘একটি বিপজ্জনক পদার্থের ঘটনা চলাকালীন’কাজ করছে।
এদিকে, পেন্টাগনের নিরাপত্তা দলের পাঠানো এক বার্তায় বলা হয় ‘বায়ুর মান নিয়ে সমস্যা’ শনাক্ত হয়েছে এবং অতিরিক্ত পরীক্ষার প্রয়োজন রয়েছে।

‘এই অতিরিক্ত পরীক্ষা করতে এক থেকে দুই ঘণ্টা সময় লাগতে পারে। প্রয়োজনে ভবনের বাসিন্দাদের সহায়তা করার জন্য সাড়াদানকারী দলগুলো প্রস্তুত রয়েছে। অনুগ্রহ করে এই কার্যকলাপগুলোকে ভুলভাবে ব্যাখ্যা করবেন না,’ বার্তাটিতে বলা হয়েছে।
দুটি সূত্র জানায়, সুবিশাল পেন্টাগন কমপ্লেক্সের চার থেকে সাত নম্বর করিডোরের দুই থেকে পাঁচ তলা পর্যন্ত লকডাউন করা হয়েছে। অন্যদিকে, তৃতীয় সূত্রটি সিএনএন-কে জানিয়েছে যে, ভবনের পুলিশ গ্যাস মাস্ক এবং সম্পূর্ণ রাসায়নিক সুরক্ষা সরঞ্জাম পরিধান করছে।