মঙ্গলবার বাংলার মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বলেছিলেন,আজ অন্নপূর্ণা ভাণ্ডারের জন্য ফর্ম বের করা হবে,সেই ফর্মে সকলের নাম এনরোলমেন্ট হবে তারপর এক এক করে ৩০০০ টাকা দেওয়া হবে।আর যতদিন অন্নপূর্ণা ভাণ্ডারের টাকা পাচ্ছেন না ততদিন লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের ১৫০০ টাকা করে পাবেন।অর্থাৎ মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল যা বলেছিলেন লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের সকল অ্যাকাউন্টে অন্নপূর্ণার টাকা ট্রান্সফার হয়ে যাবে,এই ঘোষণা যেন এক মূহুর্তেই পাল্টে গেল।আর সেই মত আজ বুধবার নবান্ন থেকে অন্নপূর্ণা যোজনার ফর্ম প্রকাশ করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। সঙ্গে ছিলেন মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল, মুখ্যসচিব, অর্থসচিবের নেতৃত্বে জেলাশাসক, বিডিও, পুর কমিশনাররাও যুক্ত থাকবেন। তবে আজ এক এক করে জট মুক্ত করলেন স্বয়ং মুখ্যমন্ত্রী। পরিষ্কার জানিয়ে দিলেন যারা লক্ষ্মীর ভান্ডার পেত তারা সকলে পাবেন না অন্নপূর্ণা ভাণ্ডারের টাকা।কারণ অনেকের নামই বেআইনিভাবে রয়েছে বলে জানান শুভেন্দুবাবু।২ কোটি ২০ লক্ষ মহিলারা লক্ষ্মীর ভান্ডার পান,তা কাটছাঁট করে ২ কোটিতে আসতে পারে বলে অনুমান মুখ্যমন্ত্রীর।তিনি বলেন,আগামী ২ জুনের মধ্যে ফর্ম ফিলআপ করতে পারবেন। তাঁরা ৩ তারিখ থেকে টাকা পাবেন। অন্নপূর্ণা যোজনার টাকা ঢুকলেই লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের পরিষেবা বন্ধ হয়ে যাবে।তাড়াহুড়ো করতে হবে না। সকলেই পাবেন।অভারতীয়, আয়কর দেন, সরকারি বা আধা সরকারি কোনও চাকরি করলে অন্নপূর্ণা যোজনার টাকা পাবেন না।আপাতত ১ জুন থেকে আগামী ৯০ দিন এই প্রক্রিয়া চলবে। অনলাইন ও অফলাইনে হবে।বিডিও ও পৌরসভা, ওয়ার্ডভিত্তিক, পঞ্চায়েত থেকে বাড়ি বাড়ি গিয়ে হবে ফর্ম ফিলআপের কাজ।
- অন্নপূর্ণা যোজনা চালু না হওয়া পর্যন্ত লক্ষ্মীর ভাণ্ডার চলবে।যাদের নাম ভোটার লিস্টে নেই তারা অন্নপূর্ণা ভাণ্ডারের টাকা পাবেন না।
পাশাপাশি বলেন,একদিনে সকলে ফর্ম ফিলআপ করতে পারবেন না।
আয়ুষ্মান ভারতের ক্ষেত্রে রেজিস্ট্রেশন, পোর্টালে নাম নথিভুক্তকরণের কাজ শুরু করেছি। জুলাইতে সম্ভবত কার্ড দিতে পারব। যতক্ষণ না আয়ুষ্মান ভারতের প্রক্রিয়া শুরু হচ্ছে, ততক্ষণ স্বাস্থ্য়সাথী থেকে কেউ বঞ্চিত হবেন না।

- তাড়াহুড়ো করার দরকার নেই। সকলেই পাবেন। এখন ২ কোটি ২০ লক্ষ মহিলা পান। বেআইনিভাবে ৩০ লক্ষের মতো মহিলা লক্ষ্মীর ভাণ্ডার পান।
- সাথে ১ জুন থেকে সরকারি বাসে আপাতত মহিলারা বিনামূল্যে যাতায়াত করতে পারবেন,পরে মহিলাদের কার্ড দিয়ে দেবে রাজ্য সরকার।