বাজেট বিতর্কের সময় তুরস্কের পার্লামেন্টে এমপিদের মধ্যে হাতাহাতি

Spread the love

তুরস্কের পার্লামেন্টে অধিবেশনে বাজেট বিতর্কের সময় ক্ষমতাসীন দল একে পার্টি ও প্রধান বিরোধী দল সিএইচপির সংসদ সদস্যদের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনা ঘটেছে। প্রায় ১০ মিনিট ধরে চলে এই এই লড়াই। বিশৃঙ্খল পরিস্থিতিতে সংসদ কার্যক্রম স্থগিত করতে বাধ্য হন স্পিকার। যদিও শেষ পর্যন্ত পর্যন্ত বাজেট বিল পাস হয়।

স্থানীয় সংবাদমাধ্যম তুর্কি টুডে’র প্রতিবেদন মতে, গত রোববার (২১ ডিসেম্বর) ছিল বাজেট বিতর্কের শেষদিন। এদিন বাজেট বিতর্কের সময় পার্লামেন্টে বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়।

সংসদ সদস্যরা একে অপরকে ঘুষি মারেন। এর আগে গত বছরের আগস্টে বিরোধী নেতাকে জেলে দেওয়ার বিতর্কে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। তবে বিশৃঙ্খলা সত্ত্বেও ২০২৬ সালের কেন্দ্রীয় সরকারের বাজেট এবং ২০২৪ সালের চূড়ান্ত হিসাব বিল পাস হয়।

বক্তব্য দিতে গিয়ে একে পার্টির বুরসা থেকে নির্বাচিত এমপি মুস্তাফা ভারাঙ্ক সিএইচপি চেয়ারম্যান ওজগুর ওজেলকে উদ্দেশ করে বলেন, ‘আপনার নেতা যেন ভয় না পান। সিএইচপি পরিচালিত শহরের কৃষকরা এখনও বিনামূল্যের ট্রাক্টরের অপেক্ষায়।’

এর জবাবে গুনাইদিন সরকারকে কটাক্ষ করে বলেন, একে পার্টি ‘রাজনৈতিক কাদা ছোড়াছুড়িতে তলানিতে পৌঁছেছে’ এবং সিএইচপি পরিচালিত পৌরসভাগুলোর বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালাচ্ছে।

এরপর সিএইচপি গ্রুপ ডেপুটি চেয়ারম্যান আলি মাহির বাসারির প্রতিবাদকে ঘিরে উত্তেজনা আরও বাড়ে। মুহূর্তেই তা ধাক্কাধাক্কি এবং পরে সরাসরি হাতাহাতিতে রূপ নেয়। সংসদের কেন্দ্রীয় চেম্বারে উভয় দলের একাধিক এমপি জড়িয়ে পড়েন সংঘর্ষে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে হিমশিম খায় নিরাপত্তাকর্মীরা।

প্রায় ১০ মিনিট ধরে চলা এই মারামারির পর সংসদ স্পিকার নুমান কুরতুলমুশ অধিবেশন স্থগিত ঘোষণা করেন। বিরতির মধ্যেও ধস্তাধস্তি অব্যাহত ছিল বলে খবরে জানানো হয়েছে।

প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যেপ এরদোগান সফল ভোটের প্রশংসা করেন। এক এক্স পোস্টে তিনি বলেন, ‘আমি আশা করি ২০২৬ সালের কেন্দ্রীয় সরকারের বাজেট আইন প্রস্তাব, যা আজ সন্ধ্যায় তুরস্কের গ্র্যান্ড ন্যাশনাল অ্যাসেম্বলিতে গৃহীত হয়েছে, তা আমাদের দেশ, আমাদের জাতি এবং আমাদের অর্থনীতির জন্য শুভ হবে।’ 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *