দেশকে রক্ষার জন্য নিজের জীবন উৎসর্গ করে দিয়েছিলেন। প্রজাতন্ত্র দিবসের আবহে নদিয়ার তেহট্টের পাথরঘাটা গ্রামের সেই ঝন্টু আলি শেখকে সাহসিকতার জন্য মরণোত্তর সেনা মেডেলে ভূষিত করা হল। গত বছর পহেলগাঁওয়ে হামলার দু’দিন পরেই জম্মু ও কাশ্মীরের উধমপুরে সন্ত্রাস-দমন অভিযানে শহিদ হন ভারতীয় সেনার ৬ প্যারা স্পেশাল ফোর্সের হাবিলদার। তিনি ছাড়াও ভারতীয় সেনার আরও ৪৩ জনকে সেনা মেডেলে ভূষিত করা হয়েছে বলে প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের তরফে জানানো হয়েছে।
ভারতীয় সেনা জওয়ান ঝন্টু আলি শেখের ইতিবৃত্ত
১) ভারত-বাংলাদেশ সীমান্ত লাগোয়া এলাকায় ভারতীয় সেনা জওয়ান ঝন্টু আলি শেখের বাড়ি। ফলে জওয়ানদের দেখেই বড় হয়ে ওঠেন। তখন থেকেই ভারতীয় সেনার উর্দি পরে দেশের সেবা করার স্বপ্ন দেখতেন।
২) আন্দুলিয়া উচ্চ বিদ্যালয় থেকে পড়াশোনা করেছিলেন জওয়ান ঝন্টু আলি শেখ। তারপর স্নাতক স্তরের পড়াশোনর জন্য বেতাইয়ের বিআর অম্বেডকর কলেজে ভরতি হয়েছিলেন।
৩) স্নাতক হওয়ার পরে ভারতীয় সেনায় যোগ দিয়েছিলেন বীর জওয়ান। ২০০৮ সালে যোগ দিয়েছিলেন ভারতীয় সেনায়।

৪) ঝন্টু আলি শেখ বিবাহিত ছিলেন। তাঁর দুই সন্তান আছে। তাঁরা আগ্রার সেনা ক্যান্টনমেন্টে থাকতেন।
৫) গত বছর এপ্রিলে উধমপুরে শহিদ হন বীর জওয়ান। সেইসময় ভারতীয় সেনার হোয়াইট কোরের তরফে বলা হয়েছিল, কর্তব্যের প্রতি অবিচল থাকা ও সাহসের সঙ্গে তিনি যেভাবে লড়েছেন, তা চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে।’ আর কৃষ্ণনগরের সাংসদ মহুয়া মৈত্র বলেছিলেন, ‘কাশ্মীরের উধমপুরে সেনা ও জঙ্গিদের সঙ্গে লড়াই করার সময় শহিদ হলেন হাবিলদার ঝন্টু আলি শেখ। তিনি নদিয়ার কৃষ্ণনগর লোকসভা কেন্দ্রের তেহট্ট ব্লকের পাথরঘাটার বাসিন্দা ছিলেন। ঈশ্বর তাঁর বীর আত্মাকে শান্তি দিন।’