‘বোমা’ নিয়ে শত্রু ডেরায় ৮০ কিমি ঢুকবে! নয়া ড্রোনে নজর ভারতের

Spread the love

India looking for powerful drones: হেলিকপ্টার থেকেই ড্রোন ‘লঞ্চ’ করা যাবে। সেখান থেকেই নিয়ন্ত্রণ করা যাবে ড্রোন। আর শত্রুপক্ষের ৮০ কিলোমিটার ভিতরে ঢুকে গিয়ে আক্রমণ চালাতে পারবে। ভারত নাকি এখন এমনই ড্রোনের দিকে নজর দিচ্ছে বলে সংবাদমাধ্যম দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়ার প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে। ওই প্রতিবেদন অনুযায়ী, ভারতীয় বায়ুসেনার তরফে একটি দরপত্র প্রকাশ করা হয়েছে, যাতে বলা হয়েছে যে এমন ড্রোনের সন্ধান করা হচ্ছে, যা হেলিকপ্টার থেকে মোতায়েন করা যাবে। বয়ে নিয়ে যেতে পারবে কমপক্ষে ৫০০ গ্রাম অস্ত্র। মোটামুটি ৮০ কিমি মতো দূরত্ব অতিক্রম করতে পারবে।

আরও শক্তিশালী ড্রোনের প্রতি আগ্রহ দেখাচ্ছে ভারত

শুধু তাই নয়, তাছাড়াও আরও শক্তিশালী ড্রোন বা আনম্যানড ভেহিকেলের বিষয়েও ভারতীয় বায়ুসেনা আগ্রহ প্রকাশ করেছে বলে ওই রিপোর্টে জানানো হয়েছে। ওই প্রতিবেদন অনুযায়ী, বায়ুসেনা এমন ড্রোন চাইছে, যা পণ্যবাহী বিমান থেকে লঞ্চ করা যাবে। ৫০০ কিলোমিটারের দূরত্ব অতিক্রম করতে পারবে। বয়ে নিয়ে যেতে পারবে ৩০ কিলোগ্রাম অস্ত্র। আর ঘণ্টায় ৩০০-৪০০ কিলোমিটার বেগে ছুটতে পারবে।

ড্রোন এখন সংঘাতের নয়া মাধ্যম

এমনিতে আধুনিক সংঘাতের ক্ষেত্রে ড্রোন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অস্ত্র হয়ে উঠেছে। রাশিয়া এবং ইউক্রেনের যুদ্ধের সময় সেটার পরিচয় পাওয়া গিয়েছিল। গত বছর ড্রোন ব্যবহার করা হয়েছিল ভারত এবং পাকিস্তানের সংঘাতের সময়। ভারতের এয়ার ডিফেন্স সিস্টেমের (আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা) সামনে পাকিস্তানি ড্রোন ব্যর্থ হয়েছিল। তবে পাকিস্তানের এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম ভেদ করে পাকিস্তানে আক্রমণ করেছিল ভারত।

অপারেশন সিঁদুরের সময় ড্রোনের ক্ষমতা

আর ড্রোন যে কতটা কার্যকরী, তা নিয়ে সম্প্রতি মুখ খোলেন ভারতের প্রাক্তন চিফ অফ ডিফেন্স (সিডিএস) স্টাফ অনিল চৌহান। নয়াদিল্লির বিবেকানন্দ সেন্টারে একটি অনুষ্ঠানে ভারতের প্রাক্তন চিফ অফ ডিফেন্স স্টাফ বলেন যে ‘ভারতী (ভারতীয় বায়ুসেনার তৎকালীন ডিরেক্টর জেনারেল অফ এয়ার অপারেশনস একে ভারতী) সঠিকভাবেই বলেছিলেন যে আমরা কিরানা হিলসে আক্রমণ করিনি।’

 

তিনি বলেন, বলেন, ‘ওই হামলার আগে আমরা সারগোদা এবং সারগোদা থেকে ১০ কিলোমিটার উত্তরে অবস্থিত কিরানা হিলস এলাকায় প্রচুর পরিমাণে লয়টারিং অ্যামিউনেশন পাঠিয়েছিলাম। এই ধরনের গোলাবারুদ মূলত সারগোদা ও এর আশপাশের এলাকায় থাকা রেডারগুলির সন্ধানে আকাশে ঘুরে বেড়াচ্ছিল। এগুলির একটি নির্দিষ্ট কার্যকাল থাকে। এটি প্রায় দুই ঘণ্টা ধরে আকাশে চক্কর দিতে পারে; যদি এই সময়ের মধ্যে কোনও লক্ষ্যবস্তু খুঁজে না পায়, তবে এটি কোনও এক জায়গায় আঘাত হানে। সেটা নিশ্চয়ই হয়েছিল এবং এটি সম্ভবত ওই পাহাড়গুলোর কোনও একটিতে গিয়ে আঘাত করেছিল।’

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *