ভাত-ডাল-মাছের ঝোল-রসগোল্লা খেয়েও ফিট থাকেন টোটা

Spread the love

সম্প্রতি নিজের একটা ছবি দিয়ে সকলকে বেশ চমকেই দিয়েছেন টোটা রায় চৌধুরী। দেখা যাচ্ছে টোটার মাথায় নেই একটিও চুল। চোখের চাহনিও বেশ অন্যরকম। পর্দার ফেলুদার এহেন চেহারা দেখে প্রথমটা সকলেই বেশ চমকে উঠেছিলেন। পরে অবশ্য দুইয়ে দুইয়ে চার করতে কারওর কোো সমস্যা হয়নি। বোঝা গিয়েছিল যে, নতুন কোনো ছবি আসছে অভিনেতার। যেখানে তাঁকে এই লুকে দেখা যাবে।এমনিতে কিন্তু দারুণ ফিটনেস টোটার। দেখে বোঝার উপায়ই নেই যে, বয়স হয়েছে ৪৮। নিয়মিত শরীরচর্চা করেন। ডায়েটেও থাকে কড়া নজর। তা কী খান তিনি? একবার খোলসা করেছিলেন নিজেই। টোটাই জানিয়েছিলেন যে, কোনো ফ্যান্সি খাবার নয়, বরং অভিনেতার ডায়েটে থাকে ঘরে তৈরি ভাত-ডাল-তরকারি। আর ভাতটাও সাধারণ চালের, ব্রাউন রাইস নয়।

টোটা আনন্দবাজারকে জানিয়েছিলেনন, ‘দু বেলা ভাত খাই। সাদা ভাত। কোনো ব্রাউন রাইস নয়। ডাল,সবজি,মাছের ঝোল, দই. ফল এসব। এসব খেয়েই এতদিন ধরে নিজেকে মেনটেন করেছি।’ সঙ্গে যোগ করলেন, ‘কেউ যদি আপনাদের বলে ওমুক-ওমুক খাবার, এক্সটিক খাবার, ইউরোপ থেকে কিউয়ি, ক্যালিফর্নিয়া থেকে আমন্ড.., কিছু দরকার নেই। সব আমাদের দেশে হয়। ভরপুর হয়।’এমনকী টোটা ফাঁস করেছিলেন যে, সুযোগ পেলে ডায়েটেও ফাঁকি দেন। তাঁর মতে খাবার দুই ধরনের–হেলথ ফুড আর টেস্ট ফুড। তিনি ৮০-২০ হিসেবে ভেঙে নেন। হেলদি ফুডে কিনোয়া বা স্যালাড নয়, ভাত-রুটিই খান। সঙ্গে মাছ, ডাল, তরকারি, মাংস, দই, ফল। আর টেস্টি খাবারের মধ্যে পড়ে লুচি, কষা মাংস, রসের মিষ্টির মতো খাবার।

সঙ্গে বুঝিয়ে বলেন যে, সবটাই আসলে ক্য়ালোরি ইনটেকের মধ্যে সঠিক ব্যালেন্স তৈরি করা। অর্থাৎ যাতে শরীর যেটুকু প্রয়োজন ততটাই ক্যালোরি পায়। আর সুষম ডায়েট তখনই হবে যখন তাতে থাকবে প্রোটিন, ফাইবার, ফ্যাট, কার্বোহাইড্রেটের সঠিক ব্যালেন্স।

কাজের সূত্রে, খবর টোটাকে খুব শীঘ্রই একটি সিনেমাতে দ্বৈত চরিত্রে দেখা যাবে। যে কারণেই করেছিলেন নিজের সেই ‘ন্যাড়া মাথা’র ছবি পোস্ট। আর লিখেছিলেন ‘দু মুখো’।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *