মালয়েশিয়ার অনুপস্থিতি নিয়ে কী বললেন আনোয়ার ইব্রাহিম?

Spread the love

গাজায় যুদ্ধবিরতি ও পুনর্বাসন সংক্রান্ত বিষয়ে আলোচনার জন্য মিশরের শারম আল-শেখে অনুষ্ঠিত শীর্ষ শান্তি সম্মেলনে অংশ না নেয়া মালয়েশিয়ার সাহসী ও নীতিনিষ্ঠ অবস্থানের স্পষ্ট বহিঃপ্রকাশ বলে জানিয়েছে দেশটির সরকার।মঙ্গলবার (১৪ অক্টোবর) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুক পোস্টে মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিম বলেন, নীতির প্রশ্নে আপোষ না করাই মালয়েশিয়ার বৈদেশিক কূটনীতির মূল ভিত্তি।

সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, সম্মেলনে মালয়েশিয়াকে আমন্ত্রণ জানানো হয়নি, কারণ প্রস্তাবিত শান্তি পরিকল্পনায় মালয়েশিয়ার শর্তাধীন সমর্থনের অবস্থান বিবেচনা করা হয়নি।

মালয়েশিয়া জানায়, তারা ২০-দফা শান্তি পরিকল্পনাকে নিঃশর্তভাবে সমর্থন না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে, কারণ এতে ‘সমন্বিত ও ন্যায়ভিত্তিক সমাধানের’ শর্ত পূরণ হয়নি।

মালয়েশিয়ার সরকার জানায়, মালয়েশিয়ার বৈদেশিক নীতির তিনটি মৌলিক শর্ত অত্যন্ত স্পষ্ট ১. ফিলিস্তিনি শরণার্থীদের নিরাপদ প্রত্যাবাসন নিশ্চিত করতে হবে। ২. ফিলিস্তিনকে সার্বভৌম স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দিতে হবে। ৩. পশ্চিম তীরে ইসরাইলি দখলদারিত্ব ও জয়নবাদী সরকারের নিপীড়ন বন্ধ করতে হবে।

সরকার জানিয়েছে, মালয়েশিয়া কূটনৈতিক প্রচেষ্টা থেকে সরে আসছে না; বরং মানবিক মূল্যবোধ ও ন্যায়বিচার রক্ষায় তা আরও জোরদার করবে।

গাজায় যুদ্ধ পরবর্তী পুনর্বাসন কার্যক্রমে মালয়েশিয়া ওআইসি, আসিয়ান, জাপান, তুরস্ক, কাতার ও সৌদি আরবের মতো অংশীদার দেশগুলোর সঙ্গে সমন্বয় করে গাজায় স্কুল, হাসপাতাল, বাড়িঘর ও মৌলিক অবকাঠামো পুনর্নির্মাণে কাজ করার পরিকল্পনা করছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *