রাজ-সিমরনের রি-ইউনিয়ন লন্ডনে! DDLJ-র ৩০ বছর

Spread the love

দিলওয়ালে দুলহানিয়া লে জায়েঙ্গে ভালোবাসতে শিখিয়েছে একটা গোটা প্রজন্মকে। রাজ-সিমরন ভালোবাসার পাঠ দিয়েছে নব্বইয়ের দশকে বেড়ে ওঠা আসমুদ্রহিমাচলকে। তবে এই জুটির গ্রহণযোগ্যতা আরব সাগর পেরিয়ে টেমসের তীর পর্যন্ত। তাই তো ছবির ৩০ বছর পূর্তি উপলক্ষ্যে সুদূর লন্ডনে উন্মোচিত হল রাজ-সিমরনের ব্রোঞ্জের মূর্তি। যা উন্মোচন করতে রানির দেশে পৌঁছেছিলেন খোদ রাজ আর সিমরন।

আদিত্য চোপড়া পরিচালিত ‘দিলওয়ালে দুলহানিয়া লে জায়েঙ্গে’ ছবিটি চলচ্চিত্রপ্রেমীদের হৃদয়ে অমর হয়ে রয়েছে। মুম্বইয়ের বিখ্যাত মারাঠা মন্দিরে এই ছবির একটি শো দেখার জন্য দর্শকরা এখনও টিকিট উইন্ডোতে লাইনে দাঁড়িয়ে থাকেন, এটাই শাহরুখ-কাজল ম্যাজিক। ১৯৯৫ সালের ২০ অক্টোবর এই ছবিটি মুক্তি পেয়েছিল।

এক বিবৃতিতে শাহরুখ খান বলেন,’মনেই হয় না যে ‘দিলওয়ালে দুলহানিয়া লে জায়েঙ্গে’ মুক্তি পাওয়ার পরে ৩০ বছর পার হয়ে গেছে। মনে হচ্ছে এটি গতকাল ঘটেছে কারণ ‘বড়ে বড়ে দেশোঁ মে ঐসি ছোটি ছোটি বাতেতে হোতি রেহতি হ্যায় সেনোরিটা…’ তবে এটি এখনও অবিশ্বাস্য মনে হয়। রাজের চরিত্রে অভিনয় করার জন্য সারা বিশ্বের মানুষের কাছ থেকে আমি যে ভালোবাসা পেয়েছি তার জন্য আমি সত্যিই কৃতজ্ঞ – চলচ্চিত্রটি বিশ্বজুড়ে মানুষের হৃদয়ে যে ধরণের জায়গা তৈরি করেছে তা কেউ অনুমান করতে পারে না এবং আমি সেই মুহুর্তটি কখনও ভুলব না। ছবিটি দেখুন এবং প্রেমে পড়ে যান’।কাজলের কথায়, ‘আমার কাছে সিমরান এমন একটি অধ্যায় যা শেষ হতে অস্বীকার করে। তিনি এই দেশের লক্ষ লক্ষ মেয়েদের প্রতিনিধিত্ব করেন – মেয়েরা তাদের বাবা-মা যা বলে তা করতে চায়, যারা এক হাতে ঐতিহ্য বহন করে কিন্তু অন্য হাতে স্বাধীনতার খোলা আকাশ চায়। এ কারণেই সিমরনকে এখনও মানুষ ভালোবাসে। যখনই কেউ বলেন, ‘জা সিমরন, জা’, এটি এই বিশ্বাসকে বোঝায় যে সাহস এবং ভালোবাসা একসাথে থাকতে পারে, বাঁচতে পারে’।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *