লোপামুদ্রার জন্মদিন পালনে সস্ত্রীক ছিলেন অরিজিৎ সিং

Spread the love

অরিজিৎ সিং-এর মিষ্টি ব্যবহার নিয়ে বরাবরই প্রশংসার সুরে ভাসে বলিউড থেকে টলিউড ইন্ডাস্ট্রি। বিশ্বজোড়া নাম ও খ্যাতি থাকার পরেও,মাটির মানুষ অরিজিৎ। না পোশাকে, না হাবেভাবে আড়ম্বরের লেশমাত্র নেই। ঠিক যেন পাশের বাড়ির ছেলেটা। আর সেই ছেলেটাই যখন সুর বাঁধেন, তখন মাতোয়ারা হয় আট থেকে আশি।অরিজিৎ সিং-এর একটি ভিডিয়ো ভাইরাল সোশ্যাল মিডিয়াতে। যেখানে তাঁকে দেখা গেল, লোপামুদ্রা মিত্রের জন্মদিনে মিষ্টি এক সারপ্রাইজ নিয়ে হাজির হতে। ৬, ৭ এবং ৮ ফেব্রুয়ারি কলকাতায় আয়োজিত হয়েছিল ‘সহজ পরব’। ‘দোহার’ এবং ‘লোপামুদ্রা মিত্র প্রোডাকশনস’-এর যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত এই উৎসব এবার পা দিল ১২ বছরে। ভারতীয় জাদুঘর প্রাঙ্গণ ও জি.ডি.বিড়লা সভাঘরে বসেছিল এই সুরের আসর।

আর সেখনেই লোপামুদ্রার জন্মদিন পালনে সস্ত্রীক ছিলেন অরিজিৎ সিং। সেই ট্রেডমার্ক লুক অরিজিতের, গাল চাপা দাড়ি, সেই চেনা একগাল হাসি। সকলে মিলে ঘিরে ধরে পালন করলেন লোপামুদ্রার জন্মদিন। টিফিন বক্সে করে আনা পায়েস চামচে করে খাইয়ে দিতে দেখা গেল অরিজিতকে। দেখা গেল কোয়েলকেও। লোপার হাতে তুলে দিলেন পুষ্পস্তবক। একটুতেই যেন বিশেষ হয়ে উঠল মুহূর্তটা।

ভাইরাল হওয়া এই ভিডিয়োতে এক নেটিজেন মন্তব্য করেছেন, ‘ভাই অরিজিৎ তোমাকে যত দেখি ততই তোমার প্রতি আমার শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা বেরেই যাচ্ছে। ঈশ্বরের কাছে প্রার্থনা করি তোমার অনেক অনেক উন্নতি হোক আর এভাবেই সবার হৃদয়ে তোমার সম্পর্ক বাড়িয়ে যাও।’

আর লোপামুদ্রা এই ভিডিয়োটি শেয়ার করে লিখলেন, ‘সহজ পরব, এর পাওনা এটাই যে সহজ মানুষরাই এর সাথে জড়িয়ে থাকে। কাল আমার জন্মদিন ছিল, কোয়েল- অরিজিৎ, আমার জীবনের সেরা উপহার দিল। কৃতজ্ঞতা শব্দটিও ছোট হয়ে যায় কোয়েল আর অরিজিৎ সিং-এর কাছে। এখনও ঘোর কাটেনি আমার।’

প্রসঙ্গত, কদিন আগেই প্লে ব্যাকের দুনিয়া থেকে অবসর গ্রহণের সিদ্ধান্তের কথা ঘোষণা করেন অরিজিৎ সিং। তবে তাতে অবশ্য সুরের সফর থামছে না। অরিজিৎ আসবেন অন্য কোনো ভাবে। যার ছোঁয়া ইতিমধ্যেই পেয়েছে তিলোত্তমা। রবিবার রাতে নেতাজি ইনডোর স্টেডিয়ামে কিংবদন্তি সেতার বাদক অনুষ্কা শঙ্কর এবং বিক্রম ঘোষের সঙ্গে এক মঞ্চে ধরা দিলেন গায়ক। যা ছুঁয়ে গিয়েছে হাজার হাজার মানুষের মন। অনুরাগীদের একাংশের মতে, প্লেব্যাকের যে চাপ অরিজিতের উপর ছিল, এখন তা কাটিয়ে অনেকটাই মুক্ত তিনি। আসলে অরিজিৎ বারবার প্রমাণ করেন, তাঁর শিল্পী সত্বাকে কোনো বাধাধরা গণ্ডিতে আটকে রাখা সম্ভব নয়। মুক্ত বিহঙ্গের মতো আকাশের মতোই তিনি অপরিসীম।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *