সারেগামাপা থেকে চোখের জলে বিদায় প্রমি গিরির! তবে থাকছে শেষ সুযোগ

Spread the love

সঙ্গীতপ্রেমীদের সব নজর ছিল রবিবার রাতের সারেগামাপা-র মেগা এপিসোডের দিকে। কে পৌঁছাবেন ফাইনালে, আর কার সফর এখানেই থমকে যাবে— তা নিয়ে চলছিল জোর জল্পনা। অবশেষে জানা গেল ফলাফল। টপ ৫ থেকে টপ ৪-এর এই কঠিন অগ্নিপরীক্ষায় বাকিদের চেয়ে কিছুটা পিছিয়ে পড়ে প্রতিযোগিতা থেকে ছিটকে গেলেন প্রমি গিরি। তবে মঞ্চ ছাড়ার মুহূর্তে চোখে জল থাকলেও ঠোঁটের কোণে এক চিলতে হাসি ধরে রেখেছিলেন প্রমি। সারেগামাপা-র জার্নিকে জীবনের অন্যতম সেরা আশীর্বাদ বলে উল্লেখ করলেন প্রতিযোগী।

‘হয়তো আমার জার্নি এতটাই ছিল’:

মঞ্চ থেকে বিদায় নেওয়ার পর সোশ্যাল মিডিয়ায় নিজের মনের সমস্ত অনুভূতি অনুরাগীদের সঙ্গে ভাগ করে নিয়েছেন প্রমি। তিনি লিখেছেন, ‘আজ টপ ৫ থেকে টপ ৪-এর লড়াইয়ে আমি আর এগিয়ে যেতে পারলাম না… হয়তো আমার জার্নি এতটাই ছিল। কিন্তু এতটা পথ আসতে পারাটাই আমার কাছে অনেক বড় আশীর্বাদ।’

সারেগামাপা মানে শুধু গান নয়, জীবনের শিক্ষা:

এই রিয়্যালিটি শো প্রমির জীবনে কতটা বড় পরিবর্তন এনেছে, তা জানিয়ে তিনি আরও লেখেন, ‘তবে সত্যি বলতে, সারেগামাপা আমাকে শুধু একটা মঞ্চ দেয়নি, দিয়েছে জীবনের অনেক বড় একটা শেখার সুযোগ। এখানে আমি শুধু গান গাইনি, শিখেছি… পেয়েছি অনেক নতুন এক্সপেরিয়েন্স , অনেক ভালোবাসা, অনেক স্মৃতি। এই পুরো জার্নিটা আমার কাছে সবসময় আশীর্বাদ হয়ে থাকবে। আমি জি বাংলার কাছে অত্যন্ত কৃতজ্ঞ।’

ফিরে আসার নতুন আশা— ওয়াইল্ড কার্ড এন্ট্রি:

তবে প্রমির অনুরাগীদের জন্য এখনই সব আশা শেষ হয়ে যায়নি। কারণ, আগামী সপ্তাহেই শো-তে টুইস্ট এনে ফিরছে ‘ওয়াইল্ড কার্ড এন্ট্রি’র সুযোগ। প্রমি নিজেই সুখবরটি দিয়ে লিখেছেন, ‘জি বাংলাকে অনেক ধন্যবাদ, কারণ আগামী সপ্তাহে আবারও একটা সুযোগ দিচ্ছে তারা— ওয়াইল্ড কার্ড এন্ট্রির (Wild Card Entry) মাধ্যমে আবার গান গাওয়ার। এটা আমার কাছে সত্যিই অনেক বড় একটা সুযোগ। আপনারা সবাই আশীর্বাদ করবেন, যেন আমি নিজেকে আরও ভালোভাবে প্রস্তুত করতে পারি এবং নিজের সেরাটা দিতে পারি মঞ্চে।’

প্রমি গিরির এই লড়াই এবং ইতিবাচক মানসিকতা ইতিমধ্যেই নেটিজেনদের প্রশংসা কুড়িয়েছে। এখন দেখার, আগামী সপ্তাহে ওয়াইল্ড কার্ডের তুরুপের তাস খেলে প্রমি আবার সারেগামাপা-র মূল লড়াইয়ে নিজের জায়গা

সেরা ৪-এ কারা?

এই সিজনের অন্যতম চর্চিত দুই প্রতিযোগী আয়ুশ গুপ্তা এবং সায়ন্তনী ঘোষ সেরা চারে স্থান করে নিয়েছে। এছাড়াও হাওড়ার আন্দুলের ছেলে সৃজন পোড়েল এবং গীতশ্রী চৌধুরীও পৌঁছে গেছেন সেরা ৪-এ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *