রাজ্যে বেআইনি নির্মাণের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান গ্রহণ করেছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। এই আবহে কলকাতার তিলজলায় বেআইনি ভবন ভাঙতে বুলডোজার পৌঁছে গিয়েছিল। তবে সেই বেআইনি নির্মাণ ভাঙার বিরোধিতায় আদালতে গিয়েছিল সিপিএম। আর সেই সিপিএমেরই এক নেতার দখল হয়ে যাওয়া জমিতে তৈরি করা দোকান ভাঙা হল বুলডোজারে। এই ঘটনাটি ঘটেছে হাসনাবাদে। রিপোর্ট অনুযায়ী, সিপিএম নেতার জায়গা জবরদখল করে দোকান তৈরির অভিযোগ উঠেছিল তৃণমূল ঘনিষ্ঠ ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে। সেই দোকান ভেঙে দেওয়া হল।
জানা গিয়েছে, সিপিএমের নেতা গিয়াসউদ্দিন বৈদ্যের জমি নাকি জবরদখল করেছিল সাদ্দাম হোসেন ঘরামির বিরুদ্ধে। সাদ্দাম হোসেন ঘরামি এলাকায় তৃণমূল ঘনিষ্ঠ বলে পরিচিত। সাদ্দামের তৈরি করা দোকান ভাঙতে এবং জমি ফেরতের দাবিতে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছিলেন গিয়াসউদ্দিন। ২০২২ সালে ওই নির্মাণ ভাঙার নির্দেশ দেয় হাইকোর্ট। কিন্তু, অভিযুক্ত তৃণমূল ঘনিষ্ঠ হওয়ায় তা ভাঙা হয়নি এদিনও। তবে এবার সেই দোকান ভেঙে দেওয়া হল। যদিও অভিযুক্ত তৃণমূল ঘনিষ্ঠ সাদ্দাম হোসেন ঘরামির দাবি, ওই জমি লিজ নিয়ে তিনি দোকান করেন।
এই ঘটনা প্রসঙ্গে অভিযোগকারী সিপিএম নেতা বলেন, ‘১১ কাঠা জমি। ২০২২ সালে হাইকোর্টে আমি আমার বাবাকে দিয়ে মামলা করি। সেই মামলা করার পরে ২০২২ সালে আমার অর্ডার হয় চার মাসের মধ্যে ভেঙে ফেলতে হবে।কিন্তু তৎকালীন সরকার থাকার সময় এখানে আমি একাধিকবার প্রধানকে সবাইকে জানানোর পরে প্রধান ভাঙেনি। সরকার বদলের পরে পুনরায় আবার বুলডোজার চালানোর নির্দেশ হয়েছে।’এর আগে তিলজলায় চামড়ার কারখানায় আগুন লেগে ২ জনের মৃত্যুর পর বেআইনি নির্মাণ ভাঙা শুরু করে প্রশাসন। তবে সিপিএম বলে আসছে, তারা বুলডোজার সাংস্কৃতিকে বাংলায় আসতে দেবে না। তিলজলায় গিয়ে সিপিএমের শতরূপ থেকে আফরিন প্রচার করে এসেছে, কোনও বেআইনি ভবন তারা ভাঙতে দেবেন না। এদিকে প্রশাসনের বুলডোজার তাঁদেরই দলের এক নেতার জমি পুনরুদ্ধারে সাহায্য করল।
