হরমুজে ‘বন্ধুপ্রতিম’ দেশগুলোর কাছ থেকে ফি নেবে না ইরান: রিপোর্ট

Spread the love

হরমুজ প্রণালী দিয়ে জাহাজ চলাচলের ক্ষেত্রে ‘বন্ধুপ্রতিম’ দেশগুলোর জন্য মাশুল বা ফি মওকুফ করেছে ইরান।রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা রিয়া নভোস্তির বরাত দিয়ে এ খবর জানিয়েছে মিডল ইস্ট আই।

রাশিয়ায় নিযুক্ত ইরানের রাষ্ট্রদূত কাজেম জালালি সংবাদ সংস্থাটিকে বলেছেন, 

আমরা কিছু নির্দিষ্ট দেশের জন্য বিশেষ ছাড়ের ব্যবস্থা করেছি। ভবিষ্যতে কী হবে তা আমি জানি না।তিনি আরও জানান, ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বর্তমানে মিত্র দেশগুলোর জন্য বিশেষ এই সুবিধা নিশ্চিত করার চেষ্টা করছে, যেমন রাশিয়া।

এর আগে, হরমুজ প্রণালী দিয়ে চলাচলকারী জাহাজের ওপর আরোপিত টোল থেকে সংগৃহীত প্রথম রাজস্ব কেন্দ্রীয় ব্যাংকে জমা করেছে ইরান। বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) ইরানের পার্লামেন্টের ডেপুটি স্পিকার হামিদরেজা হাজি বাবাইয়ের বরাতে রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা তাসনিম নিউজ এজেন্সি এ তথ্য জানায়।

তবে কীভাবে এই অর্থ আদায় করা হয়েছে বা কারা এটি পরিশোধ করেছে, এ বিষয়ে বিস্তারিত কিছু জানাননি ইরানের পার্লামেন্টের ডেপুটি স্পিকার। বিবিসি জানিয়েছে, তারা স্বাধীনভাবে ইরানের দাবির সত্যতা যাচাই করতে পারেনি।

বর্তমান যুদ্ধবিরতির আগে তেহরান জানিয়েছিল, তারা শুধুমাত্র ‘বন্ধুপ্রতিম’ দেশগুলোর জাহাজ চলাচলের অনুমতি দিচ্ছে এবং হরমুজ প্রণালী ব্যবহারকারী জাহাজ থেকে টোল আদায়ের পরিকল্পনা রয়েছে। তবে কত টাকা বা আদৌ কোনো ফি নেয়া হচ্ছিল কি না, সে বিষয়ে তখন স্পষ্ট কিছু বলা হয়নি।

উদাহরণ হিসেবে, গত মার্চের শেষ দিকে ভারতে ইরানের দূতাবাস জাহাজপ্রতি ২০ লাখ ডলার টোল নেয়ার অভিযোগ অস্বীকার করেছিল।

ইরানের আরেক জ্যেষ্ঠ সংসদ সদস্য আলিরেজা সালিমি বলেন, ‘নির্ভরযোগ্য সূত্রে তিনি শুনেছেন যে, প্রণালি দিয়ে চলাচলকারী জাহাজ থেকে ফি আদায় করা হয়েছে।’ তিনি বলেন, 

কার্গো জাহাজের ধরন, বহন করা পণ্যের পরিমাণ এবং ঝুঁকির মাত্রার ওপর ভিত্তি করে ফি ভিন্ন ভিন্ন হয়। কীভাবে এবং কতটুকু ফি নেয়া হবে, তা ইরানই নির্ধারণ করে।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প আগেই সতর্ক করে বলেছেন, যারা হরমুজ প্রণালি ব্যবহার করতে গিয়ে ইরানকে টোল দেবে, তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হতে পারে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *