হাজার হাজার টাকা খোয়ালেন অর্চনা পুত্র

Spread the love

ডিজিটাল মাধ্যমে এখন প্রায় সকলেই সক্রিয়। কিন্তু এই সস্তা ইন্টারনেটে যুগে একদিকে যেমন সবকিছু হাতের মুঠোয় এসে যাচ্ছে তেমন অন্যদিকে খুব সহজেই প্রতারণার শিকার হতে হচ্ছে সকলকে। সম্প্রতি তেমন একটি ঘটনা ঘটে গেল অভিনেত্রী অর্চনা পুরন সিং-এর ছেলে আয়ুষ্মান শেঠির সঙ্গে। অনলাইন গেম খেলতে গিয়ে ৮৭ হাজার টাকা খোয়ালেন তিনি।

কী ঘটেছে?

অর্চনা বড় ছেলে আর্যমান প্রতিদিন ব্লগ করেন। এই ব্লগ করতে গিয়েই আয়ুষ্মানের সঙ্গে হওয়া ঘটনা সকলের সামনে উঠে আসে। প্রতিদিনের মতো আর্যমান সেদিন খোঁজ মেজাজে ব্লগে সকলের সঙ্গে কথা বলছিলেন। ঠিক সেই সময় হঠাৎ করেই স্ক্রিনে দেখা যায় গোটা পরিবারকে।

ভিডিও চলাকালীন আয়ুষ্মান বলতে থাকেন যে তাঁর ক্রেডিট কার্ড থেকে আচমকা ৮৭ হাজার টাকা কেটে নেওয়া হয়েছে। এই কথা শুনে অর্চনা তড়িঘড়ি ক্রেডিট কার্ড বাতিল করে দেওয়ার পরামর্শ দেন সন্তানকে। তারপরেই আয়ুষ্মান বলেন, ‘৭ দিনের ফ্রি ট্রায়ালের নাম করে, পুরো এক বছরের টাকা কেটে নিয়েছে।’ এই কথা শুনে অর্চনা অবাক হয়ে যান।

তবে অর্চনা কার্ড বাতিল করার পরামর্শ দিলেও পরমীত আয়ুষ্মানকে পেমেন্ট বাতিল করে দেওয়ার পরামর্শ দেন। কিন্তু পেমেন্ট বাতিল করে দেওয়ার অপশন কিছুতেই খুঁজে পাচ্ছিলেন না আয়ুষ্মান। ছেলেকে দেখে ততক্ষণে সকলে হেসে উঠেন। আর্যমান ভাইয়ের সঙ্গে মজা করতে থাকে।মজা করতে করতেই অর্চনা স্বামীকে বলেন, ‘এত হাসার কিছু নেই এই টাকা তোমার থেকেই নেবে।’ তখন এই কথার উত্তরে পরমীত বলেন, ‘আমি খুশি নই আমি শুধু দেখছি যে ও কথাটা প্যানিক করছে।’ ততক্ষণে আয়ুষ্মান বিরক্তি প্রকাশ করে বলেন, ‘আমার অনুমতি ছাড়াই ক্রেডিট কার্ড থেকে টাকা কেটে নেওয়া হয়েছে। প্রথমে সাত দিনের ফ্রি ট্রায়ালের কথা ওরা বলেছিল কিন্তু তারপর গোটা বছরে টাকা কেটে নেয়।’

ছেলের কান্ড দেখে যখন অর্চনার স্বামী বলেন, ‘এত তাড়াহুড়ো করা ঠিক নয় সব বিষয়ে’। তখন এই কথা শুনে আয়ুষ্মান বলেন, ‘আমি তাড়াহুড়ো করিনি। তোমার কাজটাই করছিলাম, আমাকে ঠকানো হয়েছে।’

এরপর জানা যায় ব্যাংক থেকে ৪৮ ঘন্টা সময় চাওয়া হয়েছে। আয়ুষ্মানের থেকে ওই গেম প্লাটফর্মটির কথা জানতে চাওয়াই তিনি বলেন, ‘আমি মনে করতে পারছি না তবে এটা কোনও সন্দেহজনক ওয়েবসাইট ছিল না। ওরা ফ্রি ট্রায়ালের কথাই বলেছিল কিন্তু তারপর এইভাবে টাকা কেটে নেয়।’

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *